নিজস্ব প্রতিবেদক : অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি প্রতিপাদ্যে
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার যশোর শিল্পকলা
একাডেমিতে উদ্বোধনী ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের
আয়োজন করা জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের
উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে রাখেন জেলা প্রশাসক আজাহারুল
ইসলাম বলেন, মৎস্য সেক্টর যশোরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর
সাথে রাজনীতি ও আইন শৃঙ্খলা জড়িত। মৎস্য সেক্টরকে
কেন্দ্র করে অনেকই রাজনীতি করে। আর এ সেক্টরে কোন
ঘটনা ঘটলে আইন শৃঙ্খলা খারাপ হয়। এ জেলায় অনেক
মাছ উৎপাদন হয়। মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে বংশ
বিস্তারের সময় মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে। বাওড় আ ঘেরে
নিরাপদ স্থান মনে করে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করে।
এদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের পুলিশ সুপার রওনক
জাহান।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ রফিকুল আলমের
সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, প্রেসক্লাব যশোরের
সভাপতি জাহিদহাসান টুকুন, হ্যাচারী মালিক
সমিতির সভাপতি জাহিদুর রহমান গোলজার, সাবেক
সভাপতি সাইফুজ্জামান মজু, রেনু পোনা ব্যবসায়ী
আলামিন মৃধা, মৎস্যজীবী বিদ্যুৎ কুমার বিশ^াস
প্রমুখ। আলোচনা শেষে মৎস্য সেক্টরে বিশেষ অবদান রাখায় ৪
জনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রাদন করা হয়। ক্রেস্টপ্রাপ্তরা
হলেন, চাঁচড়ার মাতৃফিস হ্যাচারী এন্ড
ইন্টিগ্রেটেড ফার্মের সত্ত্বাধিকারী জাহিদুর রহমান
গোলজার, ঝিকরগাছার বাঁকড়ার এ আর জয়েন্ট
এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী আনিস উর রহমান,
অভয়নগরের নওয়াপাড়ার কনা এগ্রো ফার্মের
সত্ত্বাধিকারী আসাদুজ্জামান ও শার্শার পাঁচ কায়বা
গ্রামের মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজের
সত্ত্বাধিকারী শহিদুল ইসলামকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এরপর পৌরসভার মুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এর আগে সকালে কালেক্টরেট চত্বর থেকে র্যালি বের করা
হয়। বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে র্যালির উদ্বোধন করেন জেলা
প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম।















