যশোরে ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম শক্তিশালী করন মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত/ জমির মুল্য পরিশোধ করার আগেই প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হয়, ফলে মালিকরা ন্যয্য মুল্য পেতে বিলম্বের শিকার হন #জেলা প্রশাসনের কার্যালয় সম্পর্কে তাদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরী হয়

0
237

স্টাফ রিপোর্টার : “বাংলাদেশ ভূমি অধিগ্রহণে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং
অধিগ্রহণ কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালী করন” শীর্ষক সমীক্ষার
আওতায় এক মতবিনিময় সভা গতকাল সকালে যশোর কালেক্টরেট অমিত্রাক্ষর
সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক যশোরের সভাপতিত্বে মতবিনিময়
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয়
কমিশনার দেবপ্রসাদ পাল (শিক্ষা ও আইসিটি) । বিশেষ অতিথি ছিলেন
সাবেক সচিব ও বিশ^ব্যাংকের ঢাকা অফিসের কনসালটেন্ট শরীফ রহমত
কাদির ও সিইজিআইএস এর কনসালটেন্ট এটিএম শামসুল আলম। সভায়
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সুজন
সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব কমলেশ মজুমদার, অতিরিক্ত জেলা
প্রশাসক শিক্ষা মাসুম খান, জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব, সড়ক বিভাগের
নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া, পানি উন্নয়ন বোর্ডের
নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী, সিইজিআইএসএর ভুমি
অধিগ্রহন বিশেষজ্ঞ (অবসরপ্রাপ্ত উপসচিব) আকতার হোসেন, প্রকল্প ও মাঠ
পর্যায়ের ফলাফল উপস্থাপন করেন এসোসিয়েট স্পেসালিস্ট মোবাশে^র বিন
আনসারি, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন,
কেশবপুরের এসিল্যান্ড শরীফ নেওয়াজ, মনিরামপুরের এসিল্যান্ড নিয়াজ
মাখদুম, প্রেসক্লাব যশোরের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি নূর ইসলাম,
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অনিতা মন্ডল প্রমুখ। সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল
এন্ড জিও গ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এর
উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন
খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) দেব প্রসাদ পাল।
তিনি তার অভিজ্ঞতার আলোকে বলেন, একজন মালিকের কাছ থেকে জমি নিলে
সেভাবে তার ক্ষতিপুরণ দেয়া হয় না। জমির মুল্য পরিশোধ করার আগেই তা
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের কাছে জমি হস্তান্তর করা হয়। যার ফলে সাধারণ মানুষ যারা
জমির ন্যয্য মুল্য পেতে বিলম্বের শিকার হন। জেলা প্রশাসনের কার্যালয়
সম্পর্কে তাদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরী হয়। এই অবস্থার অবসান
ঘটাতে হবে। জমির প্রকৃত মালিক চিহ্নিত করে দ্রুত তাদের জমির ন্যায্য
মুল্য পরিশোধের উদ্যোগ কিভাবে নেওয়া যায় সে সম্পর্কে নীতি- রিতি ও
আইন কানুন প্রয়োজনে আপডেট করতে হবে। কোন ভাবেই আইনের
মারপ্যাচে জমির মালিকদের বঞ্চিত করা যাবে না। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার
সাথে সাথে যতি অধিগ্রহণকৃত সব জমি ব্যবহৃত না হয় তাহলে অব্যহৃত
জমি মালিকদের অনুকুলে ফেরত দিতে হবে। জমিতে এমন কিছু করা যাবে
না পরিবেশ নষ্ট হয়। সেই সাথে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত
করতে হবে। পরে অংশ গ্রহণকারীবৃন্দ গ্রুপ ওয়ার্কের মাধ্যমে কিভাবে জমি
অধিগ্রহন আরো সহজ ও সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করা যায় সে সম্পর্কে তাদের
অভিঙ্গতা কাজে লাগিয়ে সুপারিশপত্র তৈরী করেন। সব শেষে সভাপতি সকলকে
ধন্যবাদ জানিয়ে সভার কাজ শেষ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here