কালীগঞ্জে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব শিক্ষকের, এলাকাবাসীর বিচার দাবি

0
148

স্টাফ রিপোটা, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) :- ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বেথুলী সাইটবাড়ীয়া বলাকান্দর সম্মিলিত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আসাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভিকটিম ও স্কুল শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত স্কুল শিক্ষক আসাদুল ইসলাম উপজেলার বলাকান্দর এলাকার বাসিন্দা ও বিদ্যালয়টির ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় দবিরুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে তদন্ত কমিটিকে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ইসমাত আরা পারভীন।
এদিকে, এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় শুরু হয়েছে সমালোচনা। এ আগেও তিনি বিদ্যালয়ের ছাত্রীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। কিন্তু প্রভাব খাটিয়ে মীমাংসা করে নিয়েছিলেন। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানকে এই বিদ্যালয়ে আর না পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সেইসাথে এমন ঘৃণিত কাজের সাথে জড়িত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নাসিরুদ্দিন টিটো নামে বিদ্যালয়টির এক অভিভাবক বলেন, তার মেয়েও এই স্কুলে লেখাপড়া করে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক যদি ছাত্রীর সাথে এমন কাজ করে তাহলে তার মেয়েও নিরাপদ না। এজন্য মেয়েকে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবো। তিনি এমন শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানান।
অভিযুক্ত শিক্ষক আসাদুল ইসলাম বলেন, তিনি সরাসরি রাজনীতি করেন না। তবে জামায়াতের সমর্থক। রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেনস্থা করার জন্য ফাঁসানো হয়েছে। যে অভিযোগ করা হচ্ছে সেটি মিথ্যা। আমি এখনো কোন শোকজ পাইনি।
বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইসমাত আরা পারভীন বলেন, ওই শিক্ষার্থীর একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে ম্যানেজিং কমিটির সভায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি মুসা করিম বলেন, শিক্ষকের দ্বারা এমন কাজ যদি হয়ে থাকে সেটি সত্যিই লজ্জাজনক এবং ঘৃণিত। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে ঘটনার সত্যতা পেলে অবশ্যই শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেদারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here