চৌগাছা পৌর প্রতিনিধিঃ যশোরের চৌগাছা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ফ্লোরে সামান্য টাইলস ও ভবনে সীমিত কাজ দেখিয়েই পুরো ১০ লাখ টাকা ভাগাভাগি করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় শিক্ষকরা।
জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১লা জানুয়ারি ২০২০-২১ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জেলা পরিষদ শাখা থেকে চৌগাছা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবন উন্নয়নের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার হয়নি বলে অভিযোগ উঠছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ চৌগাছা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কয়ারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরে আলম মুক্তি এবং সেক্রেটারি স্বরূপদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামাউল ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে অল্প কাজ দেখিয়ে বাকি অর্থ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।
এ বিষয়ে এক ক্লাস্টার শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, “যতটুকু কাজ হয়েছে, তার মান অত্যন্ত নিম্নমানের। বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করা প্রয়োজন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি নূরে আলম মুক্তি বলেন, নিয়ম হচ্ছে দুই লাখ টাকার উপরে কাজ হলে ঠিকাদার দিয়ে কাজ করাতে হয়। তিনি বলেন, আমরা কাজ করিনি। কাজ করেছে বাঘারপাড়ার জনি নামের একজন ঠিকাদার। এসময় ঠিকাদারের মোবাইল নাম্বার চাইলে তিনি বলেন, এই মূহুর্তে নাম্বারটি তার কাছে নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘এ প্রকল্প জেলা পরিষদের আওতাধীন। তারা টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ বাস্তবায়ন করেন। আমাদের এখতিয়ার নেই।’ তবে অনেক শিক্ষক এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন বলেও তিনি জানান।















