রাহাত আলী,মনিরামপুর : যশোরের মনিরামপুরে গ্রীষ্মকালীন অসময়ে তরমুজ চাষে ব্যাপক সাফল্য
অর্জন করেছেন কৃষক খলিলুর রহমান। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কৃষি
বিভাগের পরামর্শে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, পরিশ্রম ও সঠিক
দিকনির্দেশনা পেলে মৌসুমের বাইরেও লাভজনক ফসল ফলানো সম্ভব। তার এই
সাফল্য এলাকার কৃষিক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।
তার সাফল্যের পেছনে সার্বিক তত্ত্বাবধান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা
করেছে মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিস। কৃষি কর্মকর্তাদের সরাসরি
পরামর্শ ও সহায়তায় তিনি আধুনিক পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে সফল হন, যা
এখন পুরো এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
চাষি খলিলুর রহমান বলেন, “৫০ শতক জমিতে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে
তরমুজ চাষ করেছি। আমাকে সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়েছেন
উপজেলা কৃষি অফিস । জমিতে যে পরিমাণ উন্নত মানের তরমুজ হয়েছে,
তা বিক্রি করে প্রায় তিন লক্ষ টাকা আয় হবে বলে আমি আশা করছি।”
উপ-সহকারী কৃষি অফিসার বিএম হাফিজুর রহমান বলেন, চাষি খলিলুর
রহমানকে উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও
পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অসময়ে তরমুজ চাষের সাফল্যে অনেক কৃষক এ চাষের
প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বীথি বলেন, “খলিলুর
রহমান একজন আদর্শ চাষী। তিনি নিত্য নতুন ফসল উৎপাদনে তার জুড়ি
নেই। অসময়ে তরমুজ চাষ করে তিনি রীতিমত বাজিমাত করেছেন। কৃষি
বিভাগ সবসময় তার পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করে থাকে। খলিলুর
রহমানের এই সাফল্য স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে
এবং অসময়ে ফসল চাষের নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।















