রাহাত আলী,মনিরামপুর : যশোরের মণিরামপুরে একই জমিতে একাধিক ফসলের সমন্বিত চাষ
করে লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বুদ্ধিমত্তা, আধুনিক কৃষি
প্রযুক্তি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনার ফলে উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের
বিভিন্ন গ্রামে এই পদ্ধতি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা মণিরামপুরের পশ্চিমাঞ্চলের দশ
ইউনিয়নের অন্ততঃ শতাধিক গ্রামে বহুমুখী সবজি চাষ হয়ে
থাকে। এখানকার কৃষকেরা এখন অধিক হারে সবজি আবাদে
সমন্বিত চাষের দিকে ঝুঁকছেন এবং এর মাধ্যমে বাড়তি লাভের
পাশাপাশি জমির উৎপাদনশীলতাও বাড়িয়ে তুলছেন।
সরেজমিনে মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা গ্রামে দেখা যায়
কৃষক ইমদাদুল হক তাঁর মাত্র এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের সঙ্গে
একযোগে পটল, রসুন, শসা, বেগুন, মরিচ, বাঁধাকপি, ফুলকপি,
ওলকপি এবং রুট কপি চাষ করেছেন।
একটি জমিতেই এত বৈচিত্র্যপূর্ণ ফসলের সমাহার তাক লাগানোর
মতো,দেখলে যে কারও মন ভরে যাবে।
ইমদাদুল হক জানান, “পেঁয়াজের বাজারদর ভালো থাকায় আগাম
উত্তোলন শুরু করেছি। ফলন চমৎকার হয়েছে, আর বাজারে দামও বেশ
ভালো—ফলে আগের চেয়ে অনেক বেশি লাভের আশা করছি।”
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান
বলেন,“চাষীদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছি।
তদারকি ও প্রণোদনার কারণে কৃষকরা সমন্বিত চাষে ভালো ফল
পাচ্ছেন।”
মনিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বীথি
বলেন,“মনিরামপুর মূলত কৃষিভিত্তিক উপজেলা। কৃষকদের
উদ্যোগ, আমাদের পরামর্শ এবং সমন্বিত ফসল চাষ পদ্ধতির কারণে
এখানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।”















