স্টাফ রিপোর্টার : যশোর পৌরসভায় বসবাসরত জলবায়ু অভিবাসীদের সমন্বয় ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জলবায়ু অভিবাসী সমন্বয় কমিটি’র পরিচিতিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের ‘সম্প্রীতি’ প্রকল্পের আওতায় এবং যশোর পৌরসভার সমন্বয়ে সোমবার যশোরের একটি হোটেলে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিরেন যশোর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মোরাদ আলী। তিনি বলেন, ‘এই কমিটিতে যারা যুক্ত আছেন, তারা তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়াতেও অংশগ্রহণ করছেন। সুতরাং কমিটিকে সচল রাখা মানে যশোর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা, যা আরও ভালো ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক সেবা প্রদানে সহায়তা করবে।’ এই কর্মশালার মাধ্যমে যশোর পৌরসভার ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসরত জলবায়ু অভিবাসীদের মধ্য থেকে সকল পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট তিনটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটিগুলোতে জলবায়ু অভিবাসীদের পাশাপাশি শিক্ষক প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা, ছাত্র/ছাত্রী প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। কর্মশালায় সংশি¬ষ্ট ওয়ার্ডসমূহে বসবাসরত জলবায়ু অভিবাসী ও অন্যান্য দরিদ্র জনগোষ্ঠীর নানাবিধ সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সেবাসংক্রান্ত সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করা এবং সেগুলো সমাধানে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষভাবে মাসিক সভার মাধ্যমে এসব সমস্যা কীভাবে নিয়মিতভাবে আলোচনা করে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া যায় এবং বিভিন্ন ফোরামে উপস্থাপনের মাধ্যমে সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা যায়-সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে গঠিত কমিটির সদস্যবৃন্দের পাশাপাশি যশোর পৌরসভা থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা ও শহর পরিকল্পনাবিদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ-এর ‘সম্প্রীতি’ প্রকল্পের প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
এই কর্মশালাটি জলবায়ু অভিবাসীদের কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।















