মোংলা প্রতিনিধি : মোংলার সুন্দরবন ইউনিয়নে ১৮ বিঘার একটি মৎস্য ঘের দখলে বাধাঁ দেয়ায় ঘের মালিক বাবা-ছেলেকে মেরে জখম করে ঘেরের গৈঘরে ফেলে রেখে যায় সন্ত্রাসীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সুন্দরবন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মাদুরপাল্টা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মতি শেখ’র অবস্থা অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
প্রত্যাক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীরা জানায়, মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের মাদুরপাল্টা এলাকার বাসিন্দা মতি শেখ’র মালিকানাধীন ১৮বিঘা একটি মৎস্য ঘের দীর্ঘদিন ধরে দখলের চেষ্টা করছিল রিয়াজ শেখ, রাহাত হাওলাদার, মারুফ সরদার,শামিম হাওলাদার, বাসের শেখ, সেলিম হাওলাদার, আউয়াল সরদার ও সবুজ নামের একটি প্রভাবশালী মহল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে ৮ থেকে ১০ জনের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মতি শেখ’র ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ঘেরটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় বাবাকে বাঁচাতে মেশকাত নামের ১০ বছরের স্কুল পড়–য়া ছেলে এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে ঘেরের গৈঘরের সামনে ফেলে রাখে। পরে তাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় ঘেরের পাড়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রæত মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রæত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র মেডিকেল অফিসার ডাঃ-মৌসুমী ইয়াসমিন বলেন, বিকালে সুন্দরবন থেকে মারামারীর ঘটনায় মতি শেখ সহ দুই জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। অবস্থা অবনতি দেখে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানায়, ঘটনার পর পরই এ বিষয়ে মোংলা থানা পুলিশকে এবং নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদশন করেছে পুলিশ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দরা, এবং এ ঘটনা নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মোংলা থানার ওসি তদন্ত মানিক চন্দ্র গাইন বলেন, ঘটনা শোনার পর পরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎ]সার ব্যাপারে খোজঁ খবর নেয়া হচ্ছে, অভিযোগ সহ মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।















