স্টাফ রিপোর্টার : যশোর সদর উপজেলার বীরনারায়ণপুর গ্রামের অন্যের দখলে থাকা চারশ’ শতক জমি যে সরকারি সম্পত্তি তার স্বপক্ষে যুক্তি স্থাপন করেছেন সরকারী আইন কৌশুলি কাজী বাহাউদ্দীন ইকবাল। একই সাথে তিনি সরকারের দখল হওয়া সম্পত্তি ফিরিয়ে আনতে দিক নির্দেশনা মুলক কার্যপ্রক্রিয়া বিধি তুলে ধরে এ বিষয়ে পরবর্তি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সহকারী কমিশনার(সিভিল স্যুট) যশোর বরাবর প্রতিবেদনও দাখিল করেছেন। এদিকে ঘটনার পর কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে বীর নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মনে। তবে, শিঘ্রই বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনী পদক্ষেপের আহবান জানিয়েছেন তারা। এরআগে সহকারী কমিশনার(সিভিল স্যুট) থেকে সরকারি কৌশুলি বরাবর বিষয়টি নিয়ে এল.এস.টি অথবা দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে একটি লিখিত নোটিস দেয়া হয়।
ওই নোটিশের জবাবে কৌশুলি জানান, বীরনারায়ণপুর মৌজার সিএস ০১ খতিয়ানে ভাগাড় শ্রেণি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল ওই সম্পত্তি। এসএ দাগেও তা বিদ্যমান ছিল। কিন্তু আরএসএ ওই খতিয়ানের ২.২৭ একর জমির অস্তিত্ব পাওয়া না যাওয়ায় সেটা প্রমাণ হয় এখানে জালিয়াতি করা হয়েছে। তাছাড়া এটি রাস্তা হিসেবে ব্যবহিত হত। যা দখলের পর হাজারো মানুষের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু রেকর্ড সংশোধনের এখন আর সময় নাই। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র অর্জন ও প্রজাসত্ত আইনের ২০ ধারা এবং উপধারা ২(এ) এর নির্দেশনার আলোকে তিনি উল্লেখ করেন, মিস কেস করে দখলদারদের উপর সমন জারি ও তাদের কাগজপত্র পরীক্ষা করে রেকর্ড হওয়া সম্পত্তি খাস করা সম্ভাব।
উল্লেখ এর আগে ওই চারশ’ শতক জমি প্রতারণার মাধ্যমে নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়ে ভোগ করছে প্রভাবশালী একটি চক্র। মামলা মোকাদ্দমা আর অভিযোগ দিয়ে কোনো লাভ হবে না বলে এলাকায় প্রচার চালিয়ে এই চক্রটি সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে যারা চেষ্টা চালাচ্ছেন তাদেরকে শাসাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বীরনারায়ণপুর ও শর্শুনাদহ গ্রামের হাজারো মানুষের যোগাযোগের পথটি রুদ্ধ হয়ে গেছে। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ, মানববন্ধন এমনকি জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পরও মামলা না হওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরে সরকারি কৌশলী জানান, মামলা না করেও সরকারি ওই জমি ফেরত আনতে আইনি বাধা নেই। এ খবরে এলাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।














