বাগআঁচড়া প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার রাড়ীপুকুরে কৃষি কাজে ব্যাবহৃত সেচ যন্ত্র ডিপ টিউবওয়েল নিয়ে ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় বন্ধ রয়েছে। ফলে জমিতে সেচ না পেয়ে এবার ইরি ধান চাষে ব্যাহতের পাশাপাশি মহা বিপাকে পড়েছে এখানকার প্রায় দু’শ বিঘা জমির কৃষকরা।
জানা গেছে, চার বছর আগে শার্শার রাড়ীপুকুর মৌজায় স্থানীয় ১৭ জনের মালিকানায় একটি ডিপ টিউবওয়েল স্থথাপনা করা হয়। যেখানে প্রায় দু’শ বিঘা জমিতে ঐ ডিপটিউবওয়েল আওতায় পানি সেচ সুবিধা পেয়ে আসছে। আর ওই ডিপ টিউবওয়েলটি সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য সর্ব সম্মতিক্রমে সেই সময় রাড়ীপুকুর গ্রামের ডিপ টিউবওয়েল শেয়ার মালিক শহিদুলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর কয়েক বছর আগে শহিদুল তার শেয়ারটি অন্যোদের কাছে বিক্রি করে দেয়। তার পরও সে পরিচালনার দায়িত্বে থাকে।দীর্ঘ চার বছর পার হলেও শহিদুল অন্য মালিকগনকে আয় ব্যায়ের কোন হিসাব দেয়না।বিভিন্ন সময়ে টালবাহানা করে। এর এক পর্যায়ে ১৭ জন মালিকগনের ভিতর দুজন ছাড়া বাকি ১৪ জন শহিদুলকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শহিদুল যশোর বিজ্ঞ আদালতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে একটি ফৌজদারী মামলা করে। যে মামলার ১৪৪ জারী হয়। পরিবর্তিতে প্রসাষনিক ভাবে ডিপ টিউবওয়েলে তালা ঝুলিয়ে বন্ধ করা হয়।
কৃষক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এখন ইরি মৌসুম চলছে। আর এই মৌসুমে ধান চাষ করার জন্য ৫০ হাজার টাকা ঋন নিয়ে ২ বিঘা জমি বর্গা নিয়েছি। এখন এই ডিপ টিউবওয়েলটি বন্ধ হওয়ায় আমরা জমি চাষ করতে পারছি না। টিউবওয়েলটি চালু না হলে জমি চাষ ব্যহতের পাশাপাশি পরে আমাদের পথে বসতে হবে।
অপর আরেকজন কৃষক বলেন আকিম উদ্দীন, ইরি মৌসুমের এই মুহুর্তে হঠাৎ ডিপ টিউবওয়েল বন্ধ হওয়াই জমি চাষ করতে না পারলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে। এই জন্য দ্রুত ডিপ টিউবওয়েলটি চালু করার জন্য প্রসাষনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি দুর্বল মানুষ, ওদের সাথে পারছি তাই কোর্টের আশ্রয় নিয়েছি।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম জানান, বিষয়টি শুনেছি। তাছাড়া বিজ্ঞ আদালতের একটি অভিযোগ পেয়ে আমরা সরেজমিন যাই। তদন্ত করে জানতে পারি দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধতে পারে। শান্তির লক্ষে ডিপটিউবওয়েলটি বন্ধ করে দেই এবং স্হানীয় চেয়ারম্যানকে সমাধানে দায়িত্ব দেই।















