আজিবর রহমান, মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী সন্দেহে কলেজ ছাত্র বোরহানুল কবিরকে হত্যার ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে শিার্থীরা বিুব্ধ হয়ে উঠেছে। গত রোববার সন্ধ্যায় পৌরশহরে বিােভ মিছিল শেষে থানা ঘেরাও করার পর গতকাল সোমবার দুপুরে ইউএনও অফিসের সামনে মানববন্ধনসহ স্মারকলিপি দিয়েছে। এ সময় কয়েক’শ শিার্থী ঘন্টাব্যাপী থানা ঘেরাও করাসহ মানববন্ধনে অবস্থান নিয়ে বিােভ প্রদর্শণ করে।
থানা ঘেরাও সময় বিােভকারীরা বোরহান হত্যাকান্ডে ঝাঁপা ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল হক মন্টুকে দোষারোপ করে তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে শ্লোগান দিতে থাকে। প্রায় এক ঘন্টা পর সেখানে হাজির হন থানার ওসি (সার্বিক) রফিকুল ইসলাম। এ সময় ওসি তাদের দাবি আগ্রহভরে শোনেন ও তিনি তদন্তে হত্যাকান্ডে ইউপি চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা পেলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিলে বিােভকারীরা তাদের কর্মসূচি স্থাগিত করে। শিার্থীরা গতকাল সোমবার দুপুরে ইউএনও অফিসের সামনে মানববন্ধন শেষে ইউএনও’র কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়। নিহত বোরহানুল কবির পৌরশহরের মোহনপুর এলাকার ট্রেকার চালক আহসানুল কবিরের ছেলে। সে মণিরামপুর সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার খালিয়া গ্রামের রাস্তার পাশে কৃঞ্চবাটি গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে নাঈম হোসেনসহ কয়েকজন ছিনতাইকারী অপবাদ দিয়ে বোরহানকে মারপিট করে। এক পর্যায়ে ছিনতাইকারী বলে চিৎকার করলে আশাপাশের লোকজন এসে বোরহানকে বেধড়ক মারপিটে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে খবর পেয়ে বোরহানের অভিভাবকরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে নেয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে নেওয়া হয় যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে। সেখানেও তার অবস্থার চরম অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার রাতেই ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর গত রোববার সকালে চিকিৎসকরা বোরহানকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর মোটরসাইকেলসহ প্রধান হত্যাকারী নাঈম হোসেনকে আটক করে পুলিশ।














