বাগআঁচড়ায় কার্লভার্ট ভেঙ্গে মরন ফাঁদে পরিণত, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার জনসাধারনের

0
636

শহিদুল ইসলাম,বাগআঁচড়া প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজার টু বাঁকড়া সংযোগ সড়কের এখন করুণ দশা। ব্যস্ততম এ সড়কের একমাত্র কালভার্টটিও ভাঙ্গা। ফলে চারটি উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ভাঙ্গা এ কালভার্টের অবস্থান ওই সড়কের কাঁচাবাজার মোড়ে। কালভার্টটি পারাপারে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকার মানুষের। স্থানীয়রা জানান, বাগআঁচড়া বাজার শার্শা ও ঝিকরগাছার উপজেলার বৃহত্তম একটি ব্যস্ততম এলাকা। দণিবঙ্গের বৃহত্তম পশুর হাট, বৃহত্তম তরকারীর হাট এবং বৃহত্তম ফলের হাট এই বাজারে অবস্থিত। স্বনামধন্য বৃহৎ প্রাইমারী স্কুল, হাই স্কুল এবং ডিগ্রী কলেজটি এই বাগআঁচড়ায় অবস্থিত। তাছাড়াও এলাকার একমাত্র কাঁচাবাজারটি এই সড়কের পাশে অবস্থিত। পার্শ্ববর্তী চারটি উপজেলার শতাধিক গ্রামের হাজার হাজার জনসাধারণ শিা, চিকিৎসা, চাকরী, ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সহ নানাবিধ প্রয়োজনে এই বাজারে আসা-যাওয়া করে। এই বাজারের সর্বোচ্চ ব্যস্ততম সড়ক হচ্ছে বাগআঁচড়া টু বাঁকড়া সড়ক। যেটি বেত্রাবতী সড়ক নামে পরিচিত। এই সড়কে অবস্থিত মেয়েদের জন্য এই অঞ্চলের সর্ববৃহৎ এবং স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ “বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল ও কলেজ”। হাজার হাজার শিার্থী দীর্ঘদিন ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা ব্রীজ পার হয়ে যাতায়াত করছে শিা প্রতিষ্ঠান গুলোতে। তাছাড়া ঝিকরগাছা ও মনিরামপুর এই দুইটি উপজেলার জনসাধারণের বিভিন্ন প্রয়োজনে বাগআঁচড়া বাজারে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। ফলে হাজার হাজার জনসাধারণ নানা প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা ব্রীজ পার হয়ে যাতায়াত করছে এই সড়কে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। স্থানীয় পথচারী মফিজুর বলেন, ‘শিার্থীদের এ কাঁচা সড়ক ধরেই আশপাশের স্কুলকলেজে আসতে হয়। হাটবাজারে কৃষিপণ্য আনা নেয়া হয় এ পথেই। কালভার্টটির দুপাশের অংশ ভেঙ্গে গেছে। ফলে ভাঙ্গা কালভার্টের উপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে মানুষকে। তাছাড়া এ পথে যানচলাচল করছে ঝুঁকির মধ্যেই। কালভার্ট টি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় কালভার্টের গর্তে হতাহতের আশষ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত সমস্যা সমাধান ও নতুন কালভার্ট নির্মাণে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের নিকট দাবি জানান তিনি’। এ ব্যাপারে ঝিকরগাছা প্রকৌশলী শ্যামল দত্তের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ভাঙ্গা কালভার্টের বিষয়টি এক মাস আগে শোনার পর প্রজেক্টের বাইরে ছিলো এখন সেটা প্রজেক্ট ভুক্ত করছি। পাশাপাশি চেয়ারম্যান সাহেবদেরকে বলে দিয়েছি পাশাপোল করে দিতে। পরবর্তিতে দ্রুত কার্লভার্টটি মেরামত করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here