কামরুজ্জামান লিটন ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঢাকা -খুলনা মহাসড়কের ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস ট্রাক সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৯ এ পর্যন্ত জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর ওই বাসের আহত ৩০ জন যাত্রীকে কালীগঞ্জ ও যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। কালীগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস , বারোবাজার হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন এখনও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলার বারোবাজার তেলপাম্পের সামনে। নিহতদের মধ্যে ৬ জন মহিলা ২ জন পুরুষ ১ টি শিশু রয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখনও নিহতদের কারও পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার পৌছে উদ্ধার কাজে সহযোগীতা করছেন। তিনি একটি পিকআপ ভ্যানে মৃতদেহ নিয়ে ইতোমধ্যে কালীগঞ্জ হাসপাতালে পৌচছেন। সেখানে দাঁড়িয়ে মৃতদেহ শনাক্তের কাজ চালাচ্ছেন। প্রায় ঘন্টা ব্যাপি উদ্ধার তৎপরতা চলেছে। সড়কের সকল যান চলাচল ২ ঘন্টা বন্ধ ছিল।
কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ডঃ মামুনুর রশিদ জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস যার নাম্বার ঢাকা মেট্রো ব- (১১০২১৪) কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্য যাচ্ছিল। বাসটি ঝিনাইদহ যশোরের মাঝখানে বারোজার তেল পাম্পের নিকটে পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় দ্রæতগামী গড়াইবাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে মহাসড়কের উপরেই আড়াআড়ি ভাবে উল্টে পড়ে। এ সময় বাসের সকল যাত্রীই রক্তাক্ত আহত হয়। আহতদের চিৎকারে একাবাসী এগিয়ে আসে। এরপর খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মি ও স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার ঘটনাস্থলে পৌছে বাসের মধ্য থেকে এ পর্যন্ত ৩০ /৩৫ জনকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির করে। এ পর্যন্ত ৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ট্রাকটি আটক করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষনিক ভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমান মিয়া খবরের সত্যা নিশ্চত করেন। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ অনার্সের একটি পরীক্ষা ছিল। কাজেই নিহতদের মধ্যে কোন শিক্ষার্থীও থাকতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি দীর্ঘদিন এ সড়কের রাস্তা খারাপ থাকায় বাসগুলো ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাত্রী বহন করে আসছে। যে কারনে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।















