যশোর পৌরসভায় প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেলেন

0
274

মালেকুজ্জামান কাকা, যশোর : ভোট হয় কি না হয় এমন দোলাচলে যশোর পৌরসভায় প্রার্থীরা প্রতীক পেলেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি-যশোর পৌরসভা নির্বাচন উপল্েয নৌকা প্রতীক নিয়েই প্রচারে নেমেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী হায়দার গণি খান পলাশ। ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরদার পেয়েছেন হাতপাখা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরই নৌকা ও হাতপাখার এই দুই প্রার্থী মাঠে নামেন। তবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মারুফুল ইসলাম মারুফের মনোয়নপত্র বাতিল ও হাইকোর্টের রায় চিঠি জেলা নির্বাচন অফিসে নির্ধারিত সময়ে না আসায় তাকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়নি এদিন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর। সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রার্থী হায়দার গণি খান পলাশের পে নৌকা প্রতীক গ্রহন করেন জেলা পরিষদের সদস্য মেহেদী হাসান মিন্টু ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল। ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডেও প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ৫২ কাউন্সিলর প্রার্থী। এছাড়া সংরতি ওয়ার্ডে প্রতীক পেয়েছেন ১৩ নারী কাউন্সিলর প্রার্থী।
সাধারণ ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে প্রচারে নেমেছেন চারজন কাউন্সিলর প্রার্থী। এদের মধ্যে সাহিদুর রহমান পাঞ্জাবী, জাকির হোসেন রাজিব উটপাখি, জাহাঙ্গীর আহমেদ শাকিল গাজর ও টিপু সুলতান পানির বোতল প্রতীক পেয়েছেন। ২নং ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে নেমেছেন সাতজন কাউন্সিলর প্রার্থী। এদের মধ্যে শেখ রাশেদ আব্বাস রাজ পেয়েছেন পানির বোতল, মীর মোশাররফ হোসেন পাঞ্জাবী, শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ ডালিম, জাহিদুল ইসলাম উটপাখি, তপন কুমার ঘোষ টেবিল ল্যাম্প, অনুব্রত সাহা ব্রিজ ও ওসমানুজ্জামান চৌধুরী পেয়েছেন গাজর প্রতীক। ৩নং ওয়ার্ডে ছয়জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে শেখ মোকছিমুল বারী অপু পেয়েছেন গাজর প্রতীক, দেলোয়ার হোসেন টিটো ব্রিজ, উম্মে মাকসুদা মাসু টেবিল ল্যাম্প, ওমর ফারুক ডালিম, শফিকুল ইসলাম পানির বোতল ও সাব্বির মালিক পেয়েছেন উটপাখি। ৪নং ওযার্ডে প্রতীক পেয়েছেন তিনজন কাউন্সিলর প্রার্থী। এদের মধ্যে জাহিদ হোসেন মিলন পেয়েছেন টেবিল ল্যাম্প, মঈন উদ্দিন উটপাখি ও মুস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন পানির বোতল। যশোর পৌরসভার সবথেকে বড় ওয়ার্ড পাঁচ। সর্বাধিক ভোটারের এই ৫নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হতে লড়ছেন সাতজন প্রার্থী। এদের মধ্যে রাজিবুল আলম ব্লাকবোর্ড, হাবিবুর রহমান চাকলাদার টেবিল ল্যাম্প, হাফিজুর রহমান উটপাখি, শাহাজাদা নেওয়াজ পাঞ্জাবী, মোকছেদুর রহমান ভুট্টো ব্রিজ, শরীফ আবদুল্লাহ আল মাসউদ ডালিম, ও মিজানুর রহমান বাবলু পানির বোতল প্রতীক পেয়েছেন। ৬নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন পাঁচ কাউন্সিলর প্রার্থী। এদের মধ্যে আলমগীর কবির সুমন পেয়েছেন পাঞ্জাবী, আজাহার হোসেন স্বপন টেবিল ল্যাম্প, আনিসুজ্জামান ব্রিজ, আশরাফুজ্জামান পানির বোতল ও আশরাফুল হাসান পেয়েছেন উটপাখি। ৭নং ওয়ার্ডে আটজন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে। এদের মধ্যে গোলাম মোস্তফা উটপাখি, শামসুদ্দিন বাবু পাঞ্জাবী, জুলফিকার আলী পানির বোতল, শাহেদ উর রহমান রনি টেবিল ল্যাম্প, শাহেদ হোসেন নয়ন ব্লাকবোর্ড, আবু শাহজালাল ডালিম, কামাল হোসেন ব্রিজ ও রবিউল ইসলাম রবি গাজর প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচারে নেমেছেন। ৮নং ওয়ার্ডে চারজন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে সন্দোষ দত্ত পেয়েছেন ব্রিজ, মনিরুজ্জামান মাসুম ডালিম, প্রদীপ কুমার নাথ বাবলু উটপাখি ও ওবাইদুল ইসলাম রাকিব পেয়েছেন টেবিল ল্যাম্প। ৯নং ওয়ার্ডে প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আটজন কাউন্সিলর প্রার্থী। এদের মধ্যে আজিজুল ইসলাম ব্রিজ, শেখ নাসিম উদ্দীন পলাশ ডালিম, শেখ ফেরদৌস ওয়াহিদ টেবিল ল্যাম্প, শেখ শহীদ পাঞ্জাবী, খন্দকার মারুফ হোসাইন গাজর, আসাদুজ্জামান পানির বোতল, স্বপন কুমার ধর উটপাখি ও আবু বক্কার সিদ্দিক ব্লাকবোর্ড মার্কা নিয়ে ভোটের প্রচার শুরু করেছেন । সংরতি আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে আয়েশা ছিদ্দিকা পেয়েছেন আংটি, আইরন পারভীন চশমা, সুফিয়া বেগম কলস, রেহেনা পারভীন হারমোনিয়াম, রুমা আক্তার অটোরিকশা, সান-ই-শাকিলা আফরোজ আনারস, অর্চনা অধিকারী দ্বিতল বাস, সেলিনা খাতুন জবা ফুল ও রোকেয়া বেগম পেয়েছেন টেলিফোন প্রতীক।
২নং ওয়ার্ডে নাসিমা আক্তার জলি আনারস ও নাছিমা সুলতানা চশমা, ৩নং ওয়ার্ডে শেখ রোকেয়া পারভীন ডলি আনারস ও সালমা আক্তার রানী চশমা প্রতীক পেয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকতা হুমায়ুন কবীর বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। এর আগে নির্ধারিত নির্বাচনী ক্যাম্পে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইকিং করতে পারবেন। কেউ যেন আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন না ঘটাতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে প্রার্থীদের দিক নির্দেশনা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। উৎসবমুখর পরিবেশে এ নির্বাচন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here