কপিলমুনি প্রতিনিধি ঃ কপিলমুনি এক পেশাদার সুদখোরের সুদের টাকার চাপ ও জীবন নাশের হুমকিতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে এক অসহায় মহিলা। স্বামী ও পরিবারের নিরাপত্তার আকুতি জানিয়েছেন তিনি। আকুতি জানিয়েছেন মোটা অংকের সুদের টাকার হাত থেকে পরিত্রাণের জন্য। এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে শ্রীরামপুর গ্রামের মীর আকরাম আলীর স্ত্রী মমতাজ বেগম এমন আর্জি জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার স্বামী আকরাম হোসেন কপিলমুনি বাজারের একজন চাউল ব্যাবসায়ী ছিল। ব্যবসায়ীক কারণে প্রায় আড়াই বছর পূর্বে একই গ্রামের প্রতিবেশী মৃতঃ মোকন হাজরার ছেলে সেলিম হাজরার কাছে ৫০ হাজার টাকা ধার চাইলে শর্ত সাপেে আমার স্বামীকে ৫০ হাজার টাকা দেয় সেলিম। শর্তানুযায়ী এই টাকার বিনিময়ে দেড় ল টাকার একটি তারিখ বিহীন একটি চেক এবং প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা হারে সুদ দিতে থাকে। প্রায় ১ বছরের অধিক নিয়মিত মাসিক সুদ দেয়া হয়। কিন্তু তার ব্যবসায় অব্যাহত লোকসান ও করোনাকালীন লক ডাউনের কারণে ব্যবসায়ীকভাবে তিগ্রস্ত হয়ে দেউলিয়া হয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংকের ঋনের টাকার জন্য মামলার উপক্রম হলে আমাদের শেষ সম্বল বসত বাড়িটি বিক্রি করে এসব প্রতিষ্ঠানের টাকা পরিশোধ করেন স্বামী আকরাম। বর্তমানে বাস্তহারা হয়ে ৩ সন্তান নিয়ে শ্রীরামপুর গ্রামে আমার দিনমজুর পিতার গোয়াল ঘরে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর দিন যাপন করছি। এদিকে কয়েক মাস সুদের টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় সমুদয় সুদের টাকার জন্য আমার স্বামীকে ভয় ও চাপ দিয়ে দ্বিতীয় দফায় ৫০ হাজার টাকার আরোও একটি চেক গ্রহণ করে সেলিম। যার নং ই৭৬৬৮০৪০, কপিলমুনি (ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ)। চেকটি গ্রহণের দু-একদিন পরেই সুদসহ সব টাকার চাপ দিতে থাকে সে। আগামী মার্চ মাসে সুদের টাকা পরিশোধের জন্য অনুনয় বিনয় করি। কিন্তু হঠাৎ গত ২১ ফেব্রুয়ারী ফজরের আজানের পর পরই আমার পিতার বাড়িতে প্রবেশ করে অশ্রাব্য ভাষায় গালি গলাজ সহ ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে বলে সেলিম। এ সময় ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে একটু বিলম্ব হওয়ায় সেলিম অগ্নিমূর্তি ধারণ করে দরজায় সজোরে লাথি মেরে টিনের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে আমি, আমার বৃদ্ধ পিতা ও ভাই তাকে নিবৃত্ত করি। ওই সময় সেলিম হাজরা বলে আমি বর্তমান এমপির ডান হাত এবং হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা। আজ দিনের মধ্যে সুদসহ সমুদয় টাকা না দিলে আমার স্বামীকে কুপিয়ে টুকরো টুকরো করে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এই ঘটনার পর জীবনের নিরাপত্তার জন্য পাইকগাছা থানায় একটি জিডি করি। যার নাং ১১৩৮, তারিখ ২১/০২/২১ ইং। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও জানান, সেলিম শুধু একজন ভয়ংকর ব্যাক্তি ও মাদকসেবি নয়, সে একজন পেশাদার সুদখোর। তার বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানায় হাফডজন জিডি ও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০০৪ সালে পুঠিমারি একটি মৎস্য ঘেরের দখলের ঘটনায় দুটি বন্দুক সহ পুলিশ তাকে আটক করে। ওই সময় বিএনপি মতায় থাকাকালে যুবদলের নেতা হিসাবে প্রভাব খাটিয়ে সে ছাড়া পায়। এছাড়াও বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে তার নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। এহেন ব্যাক্তির হাত থেকে স্বামী ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের হস্তপে কামনা করেন মমতাজ বেগম।
আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন বিএনপির...
স্টাফ রিপোর্টার ।। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোর সদর...
দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে যশোরে নাগরিক সমাজের মানববন্ধন
যশোর অফিস : দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিরোধ ও বিচারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন করেছে নাগরিক সমাজ।
সোমবার বেলা...
বেনাপোল স্থলবন্দরে অধিকাল ভাতা বন্ধ, কর্মচারীদের ব্যানার টানিয়ে প্রতিবাদ
যশোর অফিস : যশোর জেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত কর্মচারীদের সরকার নির্ধারিত অফিস সময়ের পর অতিরিক্ত কাজের বিপরীতে প্রাপ্য অধিকাল ভাতা বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ...
মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ী আটকের অভিযোগে যশোরে সংবাদ সম্মেলন
যশোর অফিস : ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় বড় ভাইকে আটক করার অভিযোগ তুলে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাঘারপাড়া উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল...
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর সদর উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা...
স্টাফ রিপোর্টার : সোমবার সকাল ১১টায় যশোর সদর উপজেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন
শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে...















