ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : কেশবপুরে উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিরোধ পূর্ণ জমিতে রাতের আধারে জোর পূর্বক পাঁকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞ আদালতের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণপুর গ্রামের ছলেমান সরদারের ছেলে মুহাসীন সরদার নারায়ণপুর মৌজার এস. এ- ১৬০৫ নং খতিয়ানের সাবেক- ০৩ ও ০৪ দাগ হাল- ০৩ দাগের ৭৮ শতক জমির পশ্চিম পার্শ্ব দিয়া উত্তর-দক্ষিণ ১২ শতক জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং- ২৮৪৯, তাং- ১৪/০৬/২০১০ উক্ত জমি দীর্ঘ দিন আমার ভোগ দখল করে আসছি। ইতিমধ্যে আমার প্রতিবেশি মৃত সুলতান গাজীর কন্যা ফাতেমা খাতুন ও পুত্র আব্দুল আজিজ উক্ত জমি তাদের দাবি করে বিরোধ সৃষ্টি করে। স্থানীয় ভাবে বিষয়টি নিয়ে বহুবার মিমাংশার চেষ্টা করেও কোন সমাধান হয়নি। অবশেষে বিবাদী পক্ষ উক্ত জমিতে জোর পূর্বক ঘর তৈরীর চেষ্টা করে। আমি আদালতের মাধ্যমে উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারী করি। যার নম্বর-পি- ২১৮/২১, তাং- ০৪/০২/২০২১। নিষেধাজ্ঞা জারির পরও উক্ত জমিতে বিবাদী পক্ষ রাতের আধারে পাঁকা ঘর নির্মাণ শুরু করে। আমরা বাধাঁ দিতে গেলে তারা বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি আদালতের মাধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ১৮৮ ধারা মামলা রুজু করি। ছলেমান সরদার জানান, বিবাদী পক্ষরা উক্ত জমির উপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারীর পরও তারা আবারও উক্ত জমির উপরে পাকা ঘর নির্মাণের চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে ফাতেমা খাতুন ও আব্দুল আজিজ এর আলাপ করলে তারা বলেন, উক্ত জমি গত ২৩ বছর আগে আমরা ক্রায় করেছি। সেই জমি কিভাবে তাদের হলো এটা আমাদের বুঝি আসে না। বাদী ছলেমান সরদার জানান, আদলাতের নিষেদাজ্ঞা দেওয়ার তারা নির্মানধীণ ঘরের উপর পূণঃরায় ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করার সকল প্রস্ততি গ্রহণ করছে। তিনি এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ দিকে কেশবপুর থানার এস.আই. তাপস কুমার জানান, আদালতের নির্দেশক্রমে উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হইছে। অবশেষে গত ২২/০২/২০২১ তাদের আবার নোটিশের মাধ্যেমে শান্তিরক্ষার জন্য উভয় পক্ষকে সহঅবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।














