মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুরে বইতে শুরু করেছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীরা যে যার মতো করে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন দিবসসহ নতুন বছরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান এবং মেম্বর পদ প্রাথীদের শুভেচ্ছা পোস্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে উপজেলার প্রতিটি হাটবাজার। বসে নেই সাধারণ ভোটাররাও, তাদের মধ্যেও চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষন। বাবুখালী, দীঘা, বিনোদপুর, রাজাপুর, বালিদিয়া, মহম্মদপুর, পলাশবাড়ীয়া এবং নহাটা এই আটটি ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে গঠিত মহম্মদপুর উপজেলা। প্রতিটি ইউনিয়নেই বয়ছে নির্বাচনী হাওয়া। চলমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান, মেম্বরদের পাশাপাশি নির্বাচনের মাঠে নেমে পড়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরাও।
উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নের মাঠ-ঘাট, হাট-বাজার, রাস্তায় ও চায়ের দোকানে সাধারণ ভোটাদের মুখে মুখে বয়ছে নির্বাচনী হাওয়া। তাদের মধ্যেও নির্বাচনের আলোচনায় চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষন। পৌর নির্বাচনের আমেজ শেষ হতে না হতেই সম্ভাব্য প্রার্থীসহ সকল শ্রেনি পেশার মানুষের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। মাঘের তীব্র শীত কাটিয়ে ফাল্গুনের রোদ আর হালকা শীত অপেক্ষা করে যে যার মতো করে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে সম্ভব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বর পদ প্রার্থীরা। কেউ দলীয় মনোনয়নের আশায় দৌড়ঝাপ করছেন। কেউ আবার সকাল সন্ধ্যায় রাস্তা বা চায়ের দোকানে সাধারণ ভোটারদের মাঝে নিজেকে প্রার্থী হিসেবে প্রচার করছেন। আবার উপজেলার নানা শ্রেনি পেশার মানুষের মাঝেও প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন সৈয়দ সিকান্দার আলী মণি বলেন, নির্বাচনের জন্য নয়, এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতেই আমি প্রায় ৮ বছর ধরে তাদের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। তাদের ইচ্ছায় আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেহেতু এলাকার সর্বস্থরের মানুষ আমাকে ভালবাসে তাই আমি আশাবাদি নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন পেয়ে দলীয় প্রার্থী হিসেবে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো: তায়জুল ইসলাম জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশন (সিইসি’র) নির্দেশ অনুযায়ী ৭ এপ্রিল দেশের বাদ পড়া পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সাথে প্রথম ধাপে কিছু ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। বাকী ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ভোট হবে রোজার ঈদের পরে। তবে প্রথম ধাপে মহম্মদপুর উপজেলার কোনো ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে না।














