মালেকুজ্জামান কাকা, যশোর : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ছুটিপুর পশুহাট বাবদ বড় অংকের টাকা বকেয়া রয়েছে। বছর শেষ হতে চললেও আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি পশুর হাটের ইজারার সাড়ে ২৪ লাখ টাকা না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আমিনুর রহমান উপজেলার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি চলতি বাংলা সনে ছুটিপুর পশুর হাটের ইজারাদার। বাংলা ১৪২৭ সনের ছুটিপুর পশুর হাটটি আমিনুর রহমানের দাখিলকৃত ২৬ লাখ ১২ টাকায় দরপত্র কমিটি ইজারার অনুমোদন দেন। সে মোতাবেক গত বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. কাজী নাজিব হাসান ইজারার অবশিষ্ট অর্থ, ভ্যাট ও আয়করের অর্থ পরিশোধসহ ইজারার চুক্তি করতে আমিনুর রহমানকে নোটিশ করেন।
তাতে উল্লেখ করা হয়েছিল, দরপত্রের সাথে জমাকৃত ৮ লাখ টাকার বিডির হতে শতকরা ৫ ভাগ জামানত স্বরূপ এক লাখ ৩০ হাজার ৬০০ টাকা, অবশিষ্ট ইজারামূল্য ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৬০০ টাকা ও ভ্যাটের ৩ লাখ ৯১ হাজার ৮০০ টাকাসহ ২৪ লাখ ৬৫ হাজার সাত কার্যদিবসের মধ্যে ঝিকরগাছা সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হবে। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি কোন টাকা জমা দেননি। আসছে চৈত্র মাসে ইজারার মেয়াদ শেষ হবে। অথচ সারা বছর পশুর হাটটির ইজারা তুলেছেন আমিনুর রহমান। এ বিষয় আমিনুর রহমান জানান, ছুটিপুর পশুর হাট ইজারার বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সাথে তার কোন চুক্তি হয়নি। তাছাড়া করোনাকালে তো হাটটি বন্ধ ছিল। এজন্য জেলা প্রশাসক বরাবর ইজারা মওকুফের জন্য আবেদন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত রহমান জানান, করোনার জন্য হাটের ইজারা মওকুফের কোন সিন্ধান্ত মন্ত্রণালয় নেইনি। আমিনুর রহমানের সাথে ছুটিপুর পশুহাটের ইজারার কোন চুক্তি হয়নি ঠিক, কিন্তু হাট ইজারার চুক্তি হয়তো টাকা পরিশোধের পর। তিনি তো টাকা না দিয়ে কাল পেণ করেছেন। সে কারণে চুক্তি হয়নি। আর উপজেলা প্রশাসনের সাথে চুক্তি না করে ইজারা তোলা চাঁদার সামিল। তিনি আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।














