স্টাফ রিপোর্টার: কেশবপুরে গত বুধবার (১০ মার্চ) মাটি কাটা সিন্ডিকেটের সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেড়ে নেয় সিন্ডিকেটের সদস্যরা। এ ঘটনায় চ্যানেল এস ও দৈনিক যশোর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আক্তার হোসেন বাদী হয়ে দুই জনকে আসামী করে কেশবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং: ১২, তারিখ: ১২/০৩/২০২১। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার এবং ক্যামেরা উদ্ধার হয়নি।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মেহেরপুর গ্রামের উজির আলী গাজীর ছেলে রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ ও একই গ্রামের আলতাফ শেখের ছেলে সজিব হোসেন দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন মেহেরপুর বিল থেকে মাটি কেটে ভারী ট্রাক্টরে বহন করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিল। সে কারণে ওই এলাকার সদ্য নির্মিত পিচের রাস্তা দেবে ও ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে। রাস্তা দেবে ও ভেঙ্গে নষ্ট হওয়ার সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় মামলার আসামী রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ ও সজিব হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন মিলে গোবিন্দপুর হাইস্কুল মোড়ে আসামীদের হাতে থাকা লোহার রড, দা ইত্যাদি অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পথরোধ করে মাটি কাটার, রাস্তা দেবে ও ভেঙ্গে যাওয়ার সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি, খুন জখমসহ মিথ্যা মামলা করে হয়রানীর হুমকি প্রদান করে। এ সময় চ্যানেল এস ও দৈনিক যশোর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আক্তার হোসেনের সঙ্গে থাকা দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার প্রতিনিধি এম এ রহমান, জবস টিভির কেশবপুর প্রতিনিধি আব্দুল করিম প্রতিবাদ করলে তাদের কেউ বিভিন্ন ভয়ভীতি, খুন জখমসহ মিথ্যা মামলা করে হয়রানীর হুমকি প্রদান করে। এরই মধ্যে চ্যানেল এস ও দৈনিক যশোর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আক্তার হোসেনের মোটরসাইকেলের সাইড কিপে ঝুলিয়ে রাখা হ্যান্ড ব্যাগসহ উহার মধ্যে থাকা ৯০ হাজার টাকা মূল্যের ডিএসএলআর ৭০০ ডি মডেলের ক্যামেরাসহ লেন্স, চ্যানেল এস এর একটি মাইক্রোফোন, একটি মাইক্রোফোন, ৬৪ জিবি ০২টি মেমোরী কার্ড নিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় চ্যানেল এস ও দৈনিক যশোর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আক্তার হোসেন বাদী হয়ে মেহেরপুর গ্রামের উজির আলী গাজীর ছেলে রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ ও একই গ্রামের আলতাফ শেখের ছেলে সজিব হোসেনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নং: ১২, তারিখ: ১২/০৩/২০২১।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, আক্তার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে। আসামী পলাতক রয়েছে আটক করা যায়নি, অভিযান অব্যাহত আছে।














