স্টাফ রিপোর্টার : মাছ ধরতে বাধা দেয়ায় যশোর সদর উপজেলার সাজিয়ালি গ্রামের হযরত আলী (৪৫) তার স্ত্রী সন্তানকে মারপিট বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও সাড়ে ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। এঘটনায় হযরত আলী বাদি হয়ে ১১ জনের না উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা আরো ২/৩ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার ২৫ মে মামলা করেন। আসামিরা হচ্ছে সাজিয়ালি গ্রামের মৃত হারান আলী গাজির দুই ছেলে লুৎফর রহমান (৫৫) মোশারেফ হোসেন (৪০) সবাসপুর গ্রামের পিতা অজ্ঞাত লিটন (৩৫) দোগাছিয়া গ্রামের রমন আলী ডাকাতের ছেলে রবিউল ইসলাম ওরফে রবিউল ডাকাত (৪৫) ছাতিয়ানতলা গ্রামের মোঃ দাউদ হোসেনের ছেলে তানভির রক্সি(৩০) রাসেল হোসেন (৪০) বাগডাঙ্গা গ্রমের নিছার আলীর ছেলে আলম (৪০) একই গ্রামের সৈয়দ আলী বাঙ্গালের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৪৫) ইসলামপুরের শুকুর আলীর ছেলে আব্দুল রাজ্জাক (৫০) আব্দুলপুরের আব্বাস আলী মন্ডলের ছেলে আনিচুর রহমান (৫০) ও চুড়ামনকাঠির মোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মেহেদি হাসান রুনু (৩৫)।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেছেন, আসামিরা খারাপ প্রকৃতির লোক বলে জনশ্রুতি রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধ চাঁদাবাজি, ছিনতাই, খুন জখম ও মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। আসামিদের কাছে একাধিক অস্ত্র ও বোমা আছে। আসামিরা একাধিক মামলার আসামি। তাদের সাথে হযরত আলীর জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিলো। এর জের ধওে আসামিরা হযরত আলীকে মারপিট ও খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছিলো। হরত আলী বাড়ির পূর্বপাশে জলাশয়ে মাছ চাষ করে। জলাশয়টি নিজেদেও দাবি কওে আসামিরা প্রায় সেখান থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে তাদেও উপস্থিতিতে ১৯ মে সীমানা নির্ধারণ করে নিই। পরের দিন ২০ মে সকালে আসামিরা জোর পূর্বক জলাশয়ে ঢুকে হযরত আলীর চাষকৃত প্রায় এক লাখ টাকার মাছ ধওে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে হযরত আলী ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে বাদা দিলে আসামিরা তাকে াকথ্য ভাষায় গালিগালাচ ও মারপিট করে। হযরত আলীর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন (৩৫) ও ছেলে ইসমাইল (২৫) ঠেকাতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকে ও মারপিট করে। স্ত্রী ও ছেলে প্রান বাঁচাতে বাড়িতে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা বাড়িতে যেয়ে বিভিন্ন জিনিস পত্র ভাংচুর করে ও ঘরের ড্রয়া থেকে ৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। হামলার স্বীকার আহতদেও চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসী আসামিরা প্রান নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।#














