মোংলা হাসপাতালে আইসোলেশন ও পর্যাপ্ত আক্সিজেন ব্যাবস্তা না থাকায় মানুষের মাঝে ক্ষোভ : ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২০, মৃত্যু-১

0
377

মোংলা প্রতিনিধি : মোংলায় গত ২৪ ঘন্টায় ৩৮ জনের নমুনা পরিায় ২০ জনের করোনা পজেটিভ ধরা পরেছে, মৃত্যু হয়েছে আরো একজন। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশন, আইসিইউ ও পর্যাপ্ত অক্সিজেন ব্যাবস্থা না থাকায় সাধারন মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও আতংঙাক বিরাজ করছে। লকডাউনে প্রশাসনিক ব্যাবস্থা থাকলেও তাদের চোঁক ফাকি দিয়ে খোড়া অজুহাতে বিভিন্ন জেলা থেকে মোংলা শহরে ঢুকছে মানুষ।মোংলায় চলমান কঠোর লকডাউন চললেও করোনার সংক্রমণ হার অনুকুলে আসছেনা। এর ফলে ৮দিনের লকডাউন শেষে আজ সোমবার থেকে আরো এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেছে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার। স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য পুলিশের পাশাপাশী কোস্টগার্ড সদস্যরাও রয়েছে বিভিন্ন চেকপোষ্ট ও শহর এলাকায়।উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই কোন আইসিইউ’র ব্যাবস্থা ও পর্যাপ্ত অক্সিজেন। যার কারনে সাধারন মানুষের মাঝে আতংঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। চিকিৎসার ব্যাবস্থা নাজুক, দুইটি এ্যাম্বুলেন্স তাও নষ্ট হয়ে পরে আছে হাসপাতালের মাঠে, প্যাথলজি বিভাগ সম্পুর্ন বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পৌর শহরের বাইরে প্রায় ৫০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকসহ অন্যান্য জেলা থেকে মানুষ মোংলা এলাকায় ঢুকছে হরহামেশা। তাই মানুষের সচেতনতার জন্য প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়ার আহবান এলাকাবাসীর।করোনার জন্য পৌর শহর এলাকায় সকল প্রকার যান চলাচল সম্পুর্ন বন্ধ ঘোষনা থাকলেও বেশ কিছু জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে রিক্সা, ভ্যান, নছিমন ও ইজিবাইক চলাচল করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাই এক দিকে চলছে কঠোর লকডাউন তার মধ্যেও মানুষের মাঝে আসছে না স্বাস্থ্য সচেতনতা। এ জন্য মানুষকে সচেতন করার লক্ষে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পাশে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনী ছাড়াও অন্যান্য সেচ্ছাসেবক ও নিজ উদ্দ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি সচেতন হওয়ার দাবী স্থানীয়দের।৩১ মে থেকে ৭ জুন গত এক সপ্তাহে মোট ২০৬ জনের নমুনা পরিায় ১২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তার মধ্যে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে মোট ৭জন। তবে সরকারী হিসাব মতে ৫জনের তালিকা রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে।
মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ডাঃ জিবেতোষ বিশ্বাস বলেন, হাসপাতালে দুই দিনের নমুনা পরিক্ষার পরিবর্তে ৬দিন করা হয়েছে। এছাড়া যারা নমুনা পরিক্ষায় পজেটিভ হচ্ছে তাদের স্বু-চিকিৎসার জন্য সকল পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আর আক্রান্তের অবস্থা অবনতি হলে এখানে যেহেতু সেন্টাল অক্সিজেন ও আইসিইউ’র ব্যাবস্থা না থাকায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়া পরামশ দেয়া হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here