নুর হাসান লালটু, বাঘারপাড়া ঃ সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে যশোরে সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণ প্রতিরোধে বাঘারপাড়ায় চলছে কঠোর লকডাউন। সকাল ৮ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু মাত্র কাঁচা বাজার খোলা ও ঔষধের দোকান ছাড়া সমস্ত দোকান পাট বন্ধ রয়েছে। বিধি-নিষেধ মানাতে মাঠে তৎপর রয়েছেন উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ। থেমে নেই বাঘারপাড়া পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু। পৌর পরিষদের উদ্যোগে বাঘারপাড়া সদর এলাকায় সাধারণের চলাচল বন্ধে, জরুরী যানবাহন ছাড়া অন্য কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রধান প্রধান প্রবেশ মুখে দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড।
এদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাস্ক পরিধান পাঁচ শত টাকা জরিমানা করেছেন এক ফার্মেসী মালিককে। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালত অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা জান্নাত জানান, লকডাউনের আইন অমান্য করায় সতর্ক ও সচেতন করতে চার ব্যবসায়ীকে থানায় নেওয়া হয়েছে , অবশ্য পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মাস্ক পরিধান না করায় ২৬৯ ধারায় ৫’শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি জানান, লকডাউনের বিধি-নিষেধ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে, বাঘারপাড়া পুলিশ প্রশাসনের কড়া লকডাউন পালনে ব্যাপক ভূমিকা লক্ষ্যণীয়। ওসি ফিরোজ উদ্দীনের সার্বিক নির্দেশনায় পুরো পুলিশ বাহিনী বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছে। সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কাউকেও কোথাও যেতে দিচ্ছে না। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সবচেয়ে কঠোর লকডাউন চলছে বাঘারপাড়ায়। সব দোকান-পাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। লকডাউনের বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, আমার পৌর এলাকার মধ্যে লকডাউনের বিধি-নিষেধ যেন সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয় সেজন্য আমার পরিষদ সহ আমি নিজেই রাস্তায় বেরিয়েছি।















