মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার মাদক করব পরিহার, গত এক বছরে যশোরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিশেষ সাফল্যেময় অজিত

0
338

আবিদ হাসান: “মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার মাদক করব পরিহার ” মাদকাসক্তির বর্তমানে সময়ে একটি বড় ধরনের জটিল ও বহুমাতৃক সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। সারা বিশ্বব্যাপী তারুণ্যের বিকাশ ও আলোকিত উন্নয়নের পথ মাদকের কালো আগ্রাসনের মাধ্যমে বিশ্ব আজ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি অবস্থান করছে। এতে তিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র, সমাজ, পরিবারসহ পুরো একটি বিশ্ব। মাদকদ্রব্য অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে বিভিন্ন দেশ যখন বিভিন্ন সমস্যায় সম্মুখীন ঠিক তখন সেই সময়ে বেশকিছু েেত্র সাফল্য স্থাপন করেছে বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই সংস্থাটি। মূলত তিনটি বিষয়ের প্রতি কাজ করে থাকে এই সংস্থা ১. মাদক সেবনের চাহিদা হ্রাস করা ২.মাদকাসক্ত ব্যাক্তিকে চিকিংসা মাধ্যমে পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করা ৩.গবেষণার মাধ্যমে মাদকের ভয়াবহতা সকলের কাছে তুলে ধরা ইত্যাদি। তারই অংশ হিসেবে যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাদের নিজ প্রচেষ্টায় ও অকান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। বিশেষ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক মোঃ বাহাউদ্দিন, অফিসার্স ইনচার্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান,হিসাব রক মোঃ উজ্জ্বল হোসেনসহ আরও অনেকে যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার ল্েয নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামীকাল ২৬শে জুন “মাদকদ্রব্য অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি” সারা পৃথিবীতে বিশ্বব্যাপীভাবে পালিত হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে যশোর জেলাতে এক হাজার মানুষের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ডসানিটারসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরা সামগ্রী বিতরণ করেন যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পরিদর্শক (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান দৈনিক যশোরকে জানান,যেহেতু বর্তমানে কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু তার পরেও মাদক বিরোধী অভিযানে যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পেশাগত দায়িত্ব কোনভাবেই বন্ধ হয়নী, তিনি বলেন,প্রাণঘাতী মহামারীর সময়েও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে সারা বাংলাদেশেসহ যশোর জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সকল কমীগণ।বিশেষ করে, ডগ স্কোয়াড,আধুনিক স্কানার,ড্রাগ ডিটেকটিং ডিভাইস ও আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং জনবল-লজিস্টিক সাপোর্ট বাড়ানোর মাধ্যমে অধিদপ্তরকে পরিপূর্ণভিবে সাজানো হয়েছে।এছাড়া ও ডিজিটাল প্রচারে এলইডি বিলবোর্ড ও অত্যাধুনিক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।তিনি আরও বলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ সংশোধিত-(২০২০) মাদক ব্যবসা ও পাচারের কৌশলের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের দতা বাড়িয়ে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এখন আরও কাযকর ভূমিকা রাখছে।এবং সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে অন্যান্য বাহিনীর সাথে। যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে মতে, জানুয়ারি ২০২০হতে ডিসেম্বর ২০২০পযন্ত পুরো এক বছরের যশোরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ফেন্সিডিল ৯১৯ বোতল,ইয়াবা ৩৭৪৪ পিচ,গাঁজা ৪০ কেজি ৩৪০ গ্রাম ও গাঁজা গাছ ৩৭টি,বিদেশী মদ ৬০০ স্কান, বিয়ার১২২.৫ লিটার উদ্ধার করা হয়। নিয়মিত মামলা হয়েছে ৯৬টি,গ্রেফতার হয়েছে ৭৭ জনের। এছাড়া ও যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর শিার্থীদের বিনামূল্যে শিা সামগ্রী বিতরণ, লিফলেট বিতরণ, সকলের মাঝে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরা,বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা যেমন: আমাদের অঙ্গীকার, মাদক মুক্ত পরিবার, জীবনেকে ভাল বাসুন, মাদক থেকে দূরে থাকুন।মাদক বজন করুন, সুস্থ জীবন গড়ুন, নেশা ছেড়ে কলম ধরি,মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি। মাদককে না বলিসহ বিভিন্নভাবে মাদক পরিহারের বিষয় তুলে ধরা হয়। এবং জাতীয়ভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর হটলাইন সেবা ০১৯০৮ ৮৮ ৮৮ ৮৮ সারা বাংলাদেশে কাযকর করা হয়।বাংলাদেশের সকল জনগণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি বাস্তবায়নের ল্েয কাজ করছে যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here