ঝিরগাছার বেনেয়ালী গ্রামে মণিরামপুরের মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলায় আটক হাসান আলীর স্বীকারোক্তি জবানবন্দি

0
409

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর ঝিকরগাছার বেনেয়ালী গ্রামে মণিরামপুরের মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলায় আটক হাসান আলী আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছে। ঘর থেকে ছাগল চুরির সময় মাসুমকে আটক করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এসে তাকে মারপিট করার পর মারা যায়। এ ঘটনার সাথে সেসহ ১৪/১৫ জন জড়িত বলে জানিয়েছে হাসান আলী। শনিবার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুদ্দীন হোসাইন আসামির এ জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। হাসান আলী বেনেয়ালী গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে।
হাসান আলী জানিয়েছে, চলতি বছরের ২১ মে দিবাগত গভীর রাতে ছাগলের ঘরে শব্দ শুনে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। দ্রুত ছাগলের ঘরে যেয়ে এক যুবককে ঘরের মধ্যে দেখতে পায় সে। এ সময় চিৎকার দিলে প্রতিবেশী বেশ কয়েকজন তার বাড়ি আসে। এর মধ্যে ছাগল চোরকে ধরে মারপিট শুরু করে সকলে। এক পর্যায়ে ওই চোর গুরুতর আহত অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরে তাকে বেলতলা মাঠের যশোর-বেনাপোল সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনার সাথে আটক সেলিম, শহিদুলসহ শুভ, রাসেল, রাজু, সবুর, জুয়েলসহ ১৪/১৫ জন জড়িত বলে জানিয়েছে হাসান আলী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মাসুম বিল্লাহ মণিরামপুরের মাহমুদকাঠি গ্রামের মোতালেব জমাদ্দারের ছেলে। সে ঢাকায় কাজ করত। চলতি বছরের ৭ মে ঢাকা থেকে বাড়ি এসে কৃষি কাজ করত। ২১ মে বিকেলে মাসুম বিল্লাহ বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রামে বোনের বাড়ি বেড়ানোর উদ্যেশে বের হয়। ওই দিন দিবাগত গভীর রাতে স্বজনেরা জানতে পারে যশোর-বেনাপোল সড়কের পাশে মাসুম বিল্লাহ মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এ সংবাদের ভিত্তিতে স্বজনের ঘটনাস্থলে যেয়ে মাসুম বিল্লাহর লাশ সনাক্ত করেন। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা মোতালেব জমাদ্দার বাদী হয়ে হাসান আলী ও তার স্ত্রীর নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে ঝিরগাছার থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনিছুর রহমান হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসান আলীকে আটক করে শনিবার আদালতে সোপর্দ করেন। হাসান আলী ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ওই জবানবন্দি দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here