মণিরামপুরে আলোচনায় ‘যশোরের ডন’ দাম হাঁকিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা

0
245

স্টাফ রিপোর্টার, মণিরামপুর : প্রতিবছরই কোরবানির পশুর হাটে চমক হিসেবে থাকে বিশেষ কিছু গরু। ওজন, সাইজ ও দামের কারণে আলোচনায় থাকে পশুর হাটে আসা এসব গরুগুলো। এবারও এর ব্যতিক্রম ঘটছে না। করোনার কারণে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পশুর হাট না বসলেও ইতোমধ্যেই আলোচনায় এসেছে ‘যশোরের ডন’ নামের গরু। এ গরু দিয়েই কোরবানির পশুর হাট মাত করার স্বপ্ন দেখছেন খামারি জাহিদুল ইসলাম। বিশাল আকারের ষাঁড়কে মোটাতাজা করে প্রস্তুত করেছেন কোরবানির জন্য। গরুর দাম হাঁকিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। ব্যাপারীরা ১০ লাখ পর্যন্ত দাম উঠিয়েছেন। ‘যশোরের ডন’কে দেখতে প্রতিদিনই জাহিদুলের খামারি ভিড় করছেন উৎসুক দর্শনার্থীরা। খামারি জাহিদুল ইসলাম যশোরের মণিরামপুর উপজেলার স্বরুপদাহ গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে। গত ০২ বছর ধরে তিনি গরু পালন করেন। গতবছর শাহাপুর এলাকা থেকে শখের বশে উন্নত জাতের এঁড়ে গরু কিনে সুষম খাদ্য, উপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়মিত পরিচর্যা শুরু করেন। খামারি আসমত আলী গাইন জানান, গতবছর কোরবানির ঈদের আগে ‘যশোরের ডন’কে ৫ লাখ টাকায় কেনেন। দানাদার ও লিকুইড খাদ্য হিসেবে খৈল, গম, ভুট্টা, বুট ও ছোলার ভুষি, খুদের ভাত, খড়, ঘাস ও কুড়া মিলে দিনে খাওয়ানো হয়। তিনি আরও বলেন, ‘যশোর ডন’র ওজন এখন ১৭৫৩ কেজি অর্থাৎ প্রায় ৪৪ মণ’। তার ধারণা, এবারের ঈদের পশুহাটে এর চেয়ে বড় গরু আর উঠবে না। ‘যশোরের ডন’র দাম হাঁকানো হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। ব্যাপারীরা ইতোমধ্যে ১০ লাখ টাকা দাম বলেছেন। আমার ০১৭৩৭-১৯৭৬০৪ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
জাহিদুল ইসলাম ােভের সঙ্গে বলেন, এত বড় বড় গরু লালন পালন করছেন, কিন্তু এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অফিসের কোনো সহযোগিতা পাননি। এমনকি কোনোদিন তারা খামারও পরিদর্শন করেনি। এদিকে, ‘যশোরের ডন’ কে দেখতে স্বরুপদাহ গ্রামের জাহিদুলের খামারে ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ। বিশালাকারের গরুটি দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে ছুটে আসছেন তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here