করোনা (covid-19) মহামারীর কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ও খাবার হোটেল এর কার্যক্রম স্বাভাবিক না থাকার কারণে অসহায় রোগী ও রোগীর স্বজনদের বিকট ভাবে খাবারের কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকার কারণে রোগীর আত্মীয় স্বজনদের পক্ষে রোগীর জন্য খাবার পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না এমনকি আর্থিক সঙ্গতি থাকার পরেও খাবার হোটেল বন্ধ থাকার কারণে খাবার কিনতেও পারছেন না। মানুষের এই কষ্ট লাঘবের কথা চিন্তা করে ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান আর্স বাংলাদেশ এর অর্থায়নে ৫ই জুলাই থেকে দুবেলা ফ্রি খাবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
সকালবেলা রোগী ও স্বজনদের জন্য খিচুড়ি ডিম ও মৌসুমী ফল এবং দুপুরবেলা মুরগির মাংস ডাল ও সাদা ভাত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ৭ই জুলাই থেকে আর্স বাংলাদেশ , সেবাদানকারী সংস্থা জুম বাংলাদেশ ও রোটারী ক্লাব অব যশোর রূপান্তর এর যৌথ সহযোগিতায় রাতের খাবারও চালু করা হয়। প্রতিদিন সকালে ৩০০ প্যাকেট, দুপুর ও রাতে ৩৫০ প্যাকেট করে মোট ১০০০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিদিন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এর ফটক গেটের সামনে নির্দিষ্ট স্থানে সকাল ৭:৩০ ঘটিকা, দুপুর ১:৩০ঘটিকা ও রাত ৮:০০ ঘটিকায় এই খাবার বিতরণ করা হয়।
আর্স বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ শামছুল আলম প্রতিদিন উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। আর্স বাংলাদেশের কর্মী ভলেন্টিয়ার ও জুম বাংলাদেশের ভলান্টিয়াররা খাবার রান্না পরিবহন ও বিতরণ সহযোগিতা করে থাকে।
কার্যক্রমের উদ্যোক্তা ও পরিচালক মোঃ শামছুল আলম (নির্বাহী পরিচালক, আর্স বাংলাদেশ) এর সাথে কথা বলে জানা যায় যে যতদিন লকডাউন থাকবে ততোদিন এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকার আশ্বাস দেন।তিনি বলেন মানুষের পাশে মানুষকেই দাঁড়াতে হবে। এই মহামারীর সময় আমরা যদি একে অন্যের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে আমাদের এই মহামারী থেকে পরিত্রাণ পাওয়া অনেক কষ্ট হয়ে যাবে। সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগেও একে অন্যকে সহযোগিতা করা বর্তমান সময়ে অনেক বেশি প্রয়োজন। তিনি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জন্য আহ্বান জানান।















