ডুমুরিয়ায় অনিশ্চয়তা কাটলো পাঁচ এসএসসি পরীার্থীর

0
294

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, ডুমুরিয়া (খুলনা) ঃ কার্কের অনিয়ম ও দুর্নীতির বলি হতে যাচ্ছিল উপজেলার মাগুরখালী ইউনিয়নের তপোবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ এসএসসি পরীার্থী। তবে বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ওই পাঁচ পরীার্থীর পরীা দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। তারা এখন এসএসসি পরীা দিতে পারবে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ মিলে এবার এসএসসি পরীার্থী ছিল ৪১ জন। সংশ্নিষ্ট বোর্ডের সময়সীমার মধ্যে পরীার্থীরা বিদ্যালয়ের কার্ক তম্ময় ম-লের কাছে ফি জমা দেয়। এরপর বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক সমরেন্দ্র ম-ল ওই ফির টাকা ডুমুরিয়া সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে যান। এ সময় পরীার্থী প্রিয়াঙ্কা ম-ল, বৃষ্টি ম-ল, চন্দ মোহন রায়, আকাশ মল্লিক ও প্রিতম ম-ল এই পাঁচজনের টাকা কম পড়ে। তখন ওই শিক কম পড়া টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে বিদ্যালয়ে ফেরেন। বিদ্যালয় থেকে সমরেন্দ্র জানতে পারেন, বিদ্যালয়ের কার্ক ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে তম্ময় টাকা ফেরত দেবেন এবং এমন কাজের জন্য মা প্রার্থনা করেন। ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র প্রিতম ম-ল জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে এক বছর আগে তপোবন স্কুল থেকে টিসি নিয়ে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি (বদলি) হতে কার্ক তন্ময়ের কাছে বেশকিছু টাকা দিয়েছিল। এক বছর পর সংশ্নিষ্ট বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীার ‘ফি’ জমা দিতে গেলে সে জানতে পারে, তার স্কুল বদলি হয়নি। তার পরীার ‘ফি’ তপোবন স্কুল থেকে বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে এবার পরীায় অংশ নিতে পারছে। এ ব্যাপারে কার্ক তম্ময় ম-ল বলেন, ‘আমি ভুল স্বীকার করে পাঁচ পরীার্থীর টাকা সমরেন্দ্র ম-লকে ফেরত দিতে চেয়েছি।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আগামী সোমবার বিদ্যালয়ে মিটিং আছে। মিটিংয়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা শেখ ফিরোজ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন না। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here