সাইফুল ইসলাম, মহেশপুর(ঝিনাইদহ)অফিস ঃ জীবন যুদ্ধে জীবিকার তাগিদে মানুষ বহুরকম পেশাকে বেছে নেয়। আর যদি মেধা, শ্রম ও ইচ্ছাশক্তি থাকে তাহলে যে কোন কাজেই সফলতা অর্জন সম্ভব। এমনই এক বাস্তব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার রাখালভোগা গ্রামের জয়নাল মোল্লার ছেলে রমজান আলী তেমন লেখাপড়া জানে না। সে ২ বছর যাবত বিক্রি করছেন।
বর্তমানে তার পানের স্বাদ নিতে ছুটে আসেন মহেশপুর উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকার পান পিপাসু ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কোটচাঁদপুর ও জীবননগর উপজেলার মানুষ। এমনকি রাজধানী ঢাকা থেকে এই এলাকার কোন মানুষ ঘুরতে আসলে, ছুটে আসেন রমজানের পানের দোকানে।
সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় ফতেপুর শিশুতলা বাজারে যাত্রী ছাউনির পাশে ছোট্ট টোকং দোকান রমজান আলীর সেখানেই সে পান বিক্রি করে। বিভিন্ন মসলাদিয়ে পান বানায় ৫টাকা দাম। প্রতিদিন তার ৩/৪ হাজার টাকার পান বিক্রি হয়ে থাকে।এর থেকে মাসে তার ২০/২৫হাজার টাকা আয় হয়।
রমজান আলী জানায় অল্প পুজিতে তার ভালো আয় হয়। তার প্রধান খরিদদার ঢাকা পরিবহনের ড্রাইবাররা। দর্শনা-ঢাকা রুটের পরিবহনে তার বেচা কেনা বেশী। এখন দুর-দুরান্ত থেকে লোকজন পান খেতে ফতেপুর শিশুতলা বাজারে আশে। ১৯৭৫ সালের আগে এই বাজারের অস্তিত্ব ছিলো না। চার দশকের মধ্যে এর শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে। রমজানের পানের দোকানের জৌলস দিন দিন বৃদ্ধি পাক আমরা সেই কামনাই করি।















