স্টাফ রিপোর্টার : মারা গেছে বোমা তৈরীর কারিগর শফিকুল ইসলাম সাপ্পু (৩৫) । গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গতকাল বুধবার বিকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপন কুমার সরকার। নিহত সাপ্পু নওয়াপাড়া পৌর এলাকার ইব্রাহিম মোল্যার ছেলে। তিনি স্থানীয় নওয়াপাড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ বিশ্বাসের দেহরী ছিলেন।
যশোর ডিবি পুলিশের ওসি রূপন কুমার সরকার জানান, অভয়নগর থানার বিস্ফোরক মামলার এজাহারভুক্ত আহত আসামী শফিকুল ইসলাম সাপ্পু আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে বোমা তৈরীর সময় বিস্ফোরনে গুরুতর আহত হয়। তাকে গুরুতর অবস্থায় গত (মঙ্গলবার) প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে পুলিশ প্রহরায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ২টা ২৪ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, আগামী ২০ সেপ্টম্বর নওয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে সোমবার রাত একটার দিকে শহরের রাজঘাট কার্পেটিং বাজার নামক এলাকায় নিজ ঘরে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হন সাপ্পু। এ সময় বোমার বিস্ফোরণে ওই ঘরের টিনের চালা উড়ে যায় এবং দেয়ালে ফাটলের সৃষ্টি হয়। বোমার স্পিøন্টারে সাপ্পুর হাতের তিনটি আঙুল উড়ে যায়। সে চোখে, মুখমন্ডলে, বুক ও দুটি পায়ে মারাত্মকভাবে জখম হয়। এ সময় পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় খুলনা মেডিকেলের চিকিৎসকরা তাকে ওই রাতেই ঢাকা মেডিকেলে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই সে মারা যায়।
এদিকে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সাপ্পু ও তার স্ত্রীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামাদের নামে মঙ্গলবার সকালে অভয়নগর থানার এসআই শাহ্ আলম বাদী হয়ে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একটি মামলা করেন। অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জানান, ওই মামলায় সাপ্পুকে আটক দেখানো হয়। একই সাথে ওই মামলায় সাপ্পুর স্ত্রীকেও আটক করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ














