যশোরে টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শনে সেব্রিনা ফোরা

0
309

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে করোনার টিকা প্রদান উৎসব পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফোরা। রবিবার সকালে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আসেন। সিভিল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহীন ও যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আখতারুজ্জামানের কাছ থেকে তিনি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন (টিকা) প্রদান উৎসবের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর তিনি কেন্দ্র গুলো পরিদর্শন করাসহ ভ্যাকসিন প্রদানকারী স্বাস্থ্যসেবী ও গ্রহীতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে টিকার বিকল্প নেই। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন সাইনুর সামাদ, হাসপাতালের সিনিয়র কনসাালটেন্ট ডাক্তার হিমাদ্রি শেখর সরকার, মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার নজরুল ইসলাম, হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আরিফ আহমেদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার রেহেনেওয়াজ রনি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান প্রমুখ। পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফোরা জানান, যশোরে উৎসব মুখর পরিবেশে মানুষ টিকা গ্রহণ করছেন। এটি আশাপ্রদ ও অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। করোনা মহামারি প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য সরকার সব ধরণের ব্যবস্থা করেছে। সারাদেশে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে। করোনা মহামারি থেকে বাঁচতে টিকা গ্রহণের বিকল্প নেই। তবে সতর্কতা সব সময় বজায় রাখতে হবে। ভ্যাকসিন গ্রহণের পরই মাক্স খুলে ঘুরলে হবে না। মাক্স অবশ্যই পরতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলমান থাকবে। এটি বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানান, যশোরে সিনোফার্মের পাশাপাশি ২৮ অক্টোবর থেকে ফাইজারের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। চলমান রয়েছে জেলার আটটি পৌরসভার ও ৯৩ টি ইউনিয়নে গণটিকা টিকাদান কার্যক্রম। বর্তমানে জেলায় টিকা সঙ্কট নেই। জেলায় আরও টিকা আসবে। ফলে চলমান ও গণটিকা দিতে সমস্যা হবে না। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আখতারুজ্জামান জানান, যশোরে সকলে এখন টিকা নিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন টিকার লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। যারা নিবন্ধন করেছেন সকলেই টিকা পাবেন। তবে, টিকা দান কেন্দ্রে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে। বর্তমান হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রে ছয়টি বুথে টিকা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে চারটি সকলের জন্য, একটি ভিআইপি ও একটি গর্ভবতী মায়েদের জন্য। এ সকল টিকা কেন্দ্রে সেবিকাদের সাথে ১৭ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here