৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী সুমনের উন্নয়নের ভাবনা – উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখে ৬নং ওয়ার্ডকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই

0
949

আবিদ হাসানঃ যশোর পৌরসভার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড হল পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ড।বর্তমানে এই ওয়ার্ডকে যশোর পৌরসভার আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত লাভ করেছে।বর্তমানে এই ৬ নংওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর হাজি মোঃ আলমগীর কবির সুমন গত ৩১শে মার্চ যশোর পৌরসভা নির্বাচন সবচ্চ ২৪ হাজার ৪শত ৮০ ভোটে দ্বিতীয় বার মেয়াদের ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।তার এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর হাজী সুমন দৈনিক যশোরকে জানান,আমি ৬নং ওয়ার্ডের সকলের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি। আমার এলাকার সকল সার্বিক উন্নয়নে ক্ষেত্রে আমি এলাকার সকলের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।আমি ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় রাস্তা-ঘাট,ড্রেনেজ,কালভার্ট, বৈদ্যুতিক বাতিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ শেষ করেছি।এবং এখন ও অনেক কাজ চলমান রয়েছে।বিশেষ করে পোস্ট অফিস পাড়া হতে বাদশা মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পাঁকাকরণ,চাচড়া ডালমিল হতে সার গোডাউন পর্যন্ত সম্পূর্ণ পিচের রাস্তা,যশোরের ঈদগাহ মোড় হতে এম, এম, আলী রোড পাঁকাকরণ,নিরালা পট্টি হতে ঐতিহ্যবাহী লালদিঘি পাড়ের চারপাশ রাস্তা ও মুজিব সড়ক হতে চাচড়া রোডের শেষ অংশ পর্যন্ত রাস্তার ও বিভিন্ন ছোট-বড় লিংক রোডের কাজ শেষ করেছি।সকল রাস্তার পাশে ডিজিটাল এলইডি লাইট স্থাপন করে ৬নং ওয়ার্ডকে আলোকিত করেছি।বর্তমানে এই ওয়ার্ডের বসবাস করেন বাংলাদেশের সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য এম পি,সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম রওশন আলী সাহেবের বাসভবন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর বাসভবন, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল খালেক,সহ-সভাপতি মোঃ জহিরুল হক,কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু সেলিম রানা,জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল গাজী কাদের,সাবেক কাউন্সিলর হাজি আনিসুল হক মুলুকসহ বিভিন্ন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এই ওয়ার্ডে বসবাস করেন।বর্তমানে এই ওয়ার্ডের অবস্থিত যশোরের দৃষ্টি নন্দনশীল স্থাপত্য জাবের হোটেল ইন্টারন্যাশনাল,যশোরের অন্যতম বানিজ্যিক কেন্দ্র জেস টাওয়ার,ইডেন মাকেট,বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী বানিজ্যিক ব্যাংক,কেন্দ্রীয় সোনালী ব্যাংকে,ওজিপাডিকো অফিস, জাতীয় রাজস্ব ও কাষ্টম অফিস,জেলা পরিষদ,সরকারী পোষ্ট অফিস,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিস,হাউজ বিল্ডিং অফিস, পাড় হাউজ অফিস, অফিস,আইনজীবী সমিতির ভবন,যশোর প্রেসক্লাব,রেলওয়ে স্টেশন,স্বাস্থ্য সেবার জন্য এই ওয়ার্ডের রয়েছে নোভা মেডিকেল সেন্টার,আদ- দ্বীন ক্লিনিক,সূর্যের হাসি,পাবলিক হেলথ অফিস, ক্লিনিক,ঝরণা ক্লিনিক,ল্যাবস্কান ক্লিনিক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে শিক্ষা অফিস, যশোর কালেক্টরেট স্কুল,ইনস্টিটিউশন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,নব কিশলয় স্কুল,আলহাজ্ব আব্দুল খালেক হাফেজিয়া ও এতিমখানায় মাদ্রাসা রয়েছে।কাউন্সিলর হাজি সুমন বলেন, আমার এলাকায় একটি গালস স্কুল ও কলেজ নিমাণ করলে এলাকায় মেয়েদের শিক্ষার হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে।আমার এলাকায় ভারী বর্ষণের ফলে পিটিআই রোড হতে চাচড়া রায় পাড়ার জামতলায় পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা করেছি। ফলে ৬নং ওয়ার্ডের কোথাও ভারী বর্ষণ হলে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না।এবং আমি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ভৈরব নদের সাথে সংযোগ তৈরি কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছি।এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করণের বিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর হাজি সুমন বলেন,৬নং ওয়ার্ডের বিশেষ করে চাচড়া রায়পাড়া এলাকায় অধিকাংশ ব্যক্তি রমরমাভাবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে।মাদক বিরোধী অভিযান আমি আমার এলাকার মাদক ব্যবসায়ী প্রতিনিয়ত তালিকা দিয়ে প্রসাশনকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করে থাকি।এবং আমার এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী বেবী ও রুমাকে ৬নং ওয়ার্ড হতে বিতারিত করেছি।আমি চাই আমার এলাকা থাকবে সন্ত্রাসী ও মাদক মুক্ত।আর আমার একার পক্ষে কখনও মাদক নিমূল করা সম্ভব নয়।আমার এলাকায় মাদক নিমূলের বিষয়ে আমি প্রশাসকের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করি।৬নং ওয়ার্ডের যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য আমি প্রতিনিয়ত তাদের খেলাধুলা ও শরীরচর্চা মাধ্যমে বিভিন্ন খেলাধুলা ও টুনামেন্টের আয়োজন করে থাকি।আমার ব্যক্তিগত অথায়নে তাদের জন্য ফুটবল,ক্রিকেট,ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করে থাকি।কারণ আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যতে।মাদক থেকে দূরে রাখার ও তাদের সঠিক শরীরচর্চা অন্যান্য বিষয়েও আমি সবদা প্রতিনিয়ত খোঁজ খবর রাখি।বৈশ্বিক মহামারীর করোনাকালীন সময়ে ২০২০ শুরুতে আমি প্রথম অনলাইনের মাধ্যমে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত আয়ের মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করেছি।করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়িতে নিয়মিত খাবার পৌছে দেওয়া ও এলাকার ছাত্রলীগের সকল সদস্যদের যৌথ উদ্যোগে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিষয়ে বিবেচনা করে আমার সম্পূর্ণ নিজস্ব অথায়নে পিপি, মাস্ক,হ্যান্ডস্যানিটারি ও বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম বাড়িতে বাড়িতে পৌছে দিয়েছি।এবং করোনা সময়ে সেলুন ব্যবসায়ী ও চা দোকানীদের পৌরসভা পক্ষ থেকে বিশেষ অনুদান বিতরণ করেছি। তিনি আরও বলেন, ৬নং ওয়ার্ডের চাচড়া রাজবাড়ী কবরস্থানে অবস্থা খুবই খারাপ। কবরস্থানে নেই কোন পাকা রাস্তা, নেই কোন আলো ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা এ বিষয়ে আমি যশোর পৌরসভা মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করি,যেন অন্যান্য কবরস্থানে মত ৬নং ওয়ার্ডের কবরস্থানে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে।৬নং ওয়ার্ডেকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে।আমি চাই সেই স্বপ্নগুলোর বাস্তবে রূপ দিতে।যেমনঃ আমার একটি স্বপ্ন রয়েছে জেলা স্কুলের সামনে ভোলা ট্রাঙ্কী পুকুর পাড়ের সৌন্দর্যবোধ ও দৃষ্টিনন্দনশীল গড়ে তুলতে।যাতে করে ৬নং ওয়ার্ডেসহ সকল শ্রেণীর মানুষের বিনোদনে সুন্দর ব্যবস্থা হয়।বর্তমানে কাউন্সিলর হাজী সুমন, চাচড়া ডালমিল মসজিদের উপদেষ্টা,কয়লাপট্টি মসজিদের সাধারণ সম্পাদক,যশোর জেলা সীমান্ত বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক,যশোর ইনস্টিটিউশন সহ-সভাপতি এবং তিনি বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সাথে জড়িত রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here