কেশবপুরে ঘের ব্যবসায়ি আসাদের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের সাথে জোর জবরদস্তির অভিযোগ

0
249

আক্তার হোসেন স্টাফ রিপোর্টার : কেশবপুরে ঘের না পেয়ে উক্ত ঘের জবরদখলে রাখতে রাতের আঁধারে জমির মালিকদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে জোর জবরদস্তি ও টাকার লোভ দেভিয়ে ডিডে সাক্ষর করিয়ে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে ঘের ব্যবসায়ী আসাদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, কেশবপুরে বিল বলধালীর আওতায় ছাছির ঘের নামে ৭০ বিঘা বিশিষ্ট একটি মৎস্য ঘের রয়েছে। এই ঘেরের জমির মালিকের সংখ্যা প্রায় ১১০ জনের মত। বিতর্কীত মাছ চাষী সেলিমুজ্জামান আসাদ এই ঘেরটি বিগত ৬ বছর আগে ৬ বছরের জন্য লীজ নিয়ে ওই ঘেরে মাছ চাষ করে আসছে। চুক্তিপত্র মোতাবেক চলতি বছরের ৩০-১২-২১ ইং সালে তার ঘেরের মেয়াদ ৬ বছর শেষ হতে যাচ্ছে। উক্ত ঘেরের জমির মালিকদের সাথে ঘের ব্যবসায়ী আসাদ ও ঘেরের কর্মচাররীদের অশালিন আচারন, দূব্যবহার ও হারির টাকা পরিশোধে গুড়িমশির কারনে ঘেরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ঘের পাশ্ববর্তি আব্দুল হকের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম পিটুকে যৌথভাবে আগামী ০১-০১-২২ হইতে ৩০-১২-২৬ ইং তারিখ পর্যন্ত উক্ত ঘের লীজ প্রদান করে। তাদের এই ডিডে ঐ ঘেরের প্রায় ৯০% জমির মালিক সাক্ষর করে। এদিকে উক্ত ঘেরটি জোর করে আগামী ৫ বছরের জন্য দখলে রাখতে অসাধু ঘের ব্যবসায়ী আসাদ তার ঘেরের ম্যানেজার ওয়াজেদ ও শরিফুলকে দিয়ে ঐ ঘেরের জমির মালিকদের সাথে জোর জবরদস্তি শুরু করেছে। তারা রাতের আঁধারে রাজ্জাকের ডিডে সাক্ষর করী জমির মালিকদের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে প্রথমে টাকার লোভ, লোভে কাজ না হলে জোর করে আসাদের ডিডে সাক্ষর করিয়ে নেওয়ার জোর প্রচেষ্টা করছে। উক্ত ঘেরের জমির মালিক মুল গ্রামের কালিপদ বিশ্বাস বলেন, ঘেরের জন্য রাজ্জাকের কাছ থেকে টাক গ্রহন ও তার ডিডে সই দিয়েছি। কিন্তু আসাদের ঘেরের ম্যানেজার ওয়াজেদ ও শরিফুল জোর করে খাটের উপর টাকা ফেলে দিয়ে তার টিপসই নিয়ে নেয়। জমির মালিক বাসুদেব বলেন, তার সই নিতে ব্যর্থ হলেও টাকার বান্ডেল রেখে বলে তোর কোন সমস্যা হলে আসাদ ভাই দেখবে। হাজার চেষ্টা করলেও তারা টাকা ফেরৎ না নিয়ে চলে যায়। কালিপদ, বাসুদেবের মত উক্ত ঘেরের সিংসভাগ জমির মালিকরা আসাদের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেন আব্দুর রাজ্জাক ও সাবেক পিপি এ্যাড রফিকুল ইসলাম পিটু সাংবাদিকদের বলেন, আমাদেরও ঐ ঘেরে জমি রয়েছে, তাছাড়া বাকী সব জমির মালিকরা আমাদের প্রতিবেশী। জমির মালিকদের মধ্যে মাত্র ১০/১২ জন বাদে সবাই আমাদের ডিডে সই দিয়েছে। ৯০% জমির মালিকরা আমাদের নামে ঘের ডিড করে দেওয়ার পরও আসাদ জোর করে উক্ত ঘের তার দখলে রাখার চেষ্টা করছে। এব্যাপারে ঘেরের ম্যানেজার ওয়াজেদ আলী বলেন, রাতের আাঁধারে জমির মালিকদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে জোর জবরদস্তি ও টাকার বিনিময়ে ডিডে সাক্ষর নেওয়ার ঘটনা সত্য নয়। ঘের ব্যবসায়ী সেলিমুজ্জামান আসাদ বলেন, চলতি বছরের ৩০ চৈত্র মাস পর্যন্ত আমার ডিডের মেয়াদ রয়েছে। যদি মেজরিটি জমির মালিকরা আমাকে না দেয় তাহলে স্বেচ্ছায় ঘের ছেড়ে দিব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here