ভোমরায় কথিত সাংবাদিকের হাতে পত্রিকার হকার লাঞ্চিত, ইউনিয়নের প্রতিবাদ

0
254

সাতক্ষীরা ব্যুরো প্রধান : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে কথিত এক সাংবাদিকের হাতে প্রত্রিকার হকার সাহাদাত হোসেন লাঞ্চিত হয়েছে। এঘটনায় হকার্স ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে কথিত ওই সাংবাদিকের শাস্তির দাবী করেছেন। ভোমনার পত্রিকার হকার সাহাদাত হোসেন জানান, শফিকুল ইসলাম নামে একজন দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে ভোমরায় কর্মরত ছিলেন। তিনি দৈনিক যশোর পত্রিকা বিলিবন্টনের দায়িত্ব দেয় সাহাদাত হোসেনের নিকট। প্রতিমাসে তাকে ৩শ টাকা দিত শফিকুল ইসলাম। পত্রিকার বিল শফিকুল নিজেই আদায় করতেন। বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে দৈনিক যশোর পত্রিকা কর্তৃপক্ষ গত নভেম্বর ‘২১ মাস থেকে তাকে পত্রিকা থেকে অব্যাহতি দেন। এরপর শফিকুল ইসলাম আমাকে হুমকি দিতে থাকে। ভোমরায় দৈনিক যশোর পত্রিকা বিলিবন্টন করলে তোর ব্যবস্থা নেব। আমি যথারীতি দৈনিক যশোর পত্রিকা বিলিবন্টন করতে থাকলে গত ১২ ডিসেম্বর রবিবার বেলা ১২ টার সময় ভোমরা কাস্টম অফিস মোড়ে আমাকে ধরে শফিকুল বলে পত্রিকার বিল পাবো তোর কাছে টাকা দে। এই মিথ্যা অজুহাতে সে আমাকে লাঞ্চিত করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। পথচারীরা বিষয়টি দাঁড়িয়ে দেখে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিল সাংবাদিক আবু বক্কর সিদ্দিক ও আব্দুল মোতালেব। বিষয়টি হকার সাহাদাত হোসেন তাৎক্ষনিক দৈনিক যশোর পত্রিকার কর্তৃপক্ষকে এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলা হকার ইউনিয়নকে অবহিত করেন। হকার ইউনিয়নের সভাপতি সাবান আলি ও সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা তাদের ইউনিয়নের সদস্য হকার সাহাদাত হোসেনকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে কথিত শফিকুল ইসলামের শাস্তি দাবী করেছেন।
প্রকাশ থাকে যে, ভোমরার মৃত আবুল হোসেনের পুত্র শফিকুল ইসলাম নিজেকে মাস্টার বলে পরিচয় দিলেও তিনি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাস্টার নয়। যাত্রা গানের মাস্টার বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় কাজ করা কালিন দৈনিক যশোর পত্রিকার ভোমরা প্রতিনিধি হিসাবে কাজ শুরু করেন শফিকুল ইসলাম। কিছুদিন পূর্বে ভোমরার বিভিন্ন অফিস থেকে আর্থিক দাবীর বিষয়ে অভিযোগ দৈনিক যশোর পত্রিকা অফিসে যায়। পত্রিকা কর্তৃপক্ষ অভিযোগের বিষয়ে একাধিক তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হয়। এরপর দৈনিক যশোর পত্রিকা কর্তৃপক্ষ শফিকুল ইসলামকে পত্রিকা থেকে অব্যাহতি দেয়। দৈনিক যশোর পত্রিকার কর্তৃপক্ষ ঘোষনা দিয়েছেন শফিকুল ইসলামের সাথে পত্রিকার কোন সম্পর্ক নেই। যদি কেউ দৈনিক যশোর পত্রিকা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে যোগাযোগ করেন তার নিজ দায়িত্বে করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here