যশোরে সমাবেশে যেতে পুলিশি বাঁধা প্রতিবাদে চৌগাছায় দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

0
222

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি ॥ যশোরে বিএনপির গণসমাবেশে যোগ দিতে চৌগাছা বিএনপির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। ৬২টি বাস রিজার্ভ করা, কর্মীদের জন্য খাবার তৈরী, সকালে যশোরের উদ্যোশে রওনা দিবে সে সময়ে খবর আসে পুলিশ সকল স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। তারপরও নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছে উপজেলা সদরে। পুলিশি বাঁধায় যশোরে যেতে না পেরে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করে উত্তাল করে তোলেন চৌগাছা উপজেলা সদরকে। সরকারের এহেন কর্মকান্ডকে সাধারণ মানুষ ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে দাবি বিএনপি নেতাকর্মীদের।
দলীয় সূত্র জানায়, বুধবার যশোরে বিএনপির গণসমাবেশে যোগ দিতে চৌগাছা উপজেলা ও পৌর বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেন। দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার পালা শেষ রাত পোহালেই রওনা হবেন কাংখিত যশোর ঈদগাহ মাঠে। কিন্তু পুলিশি বাঁধায় সেই যাওয়া হয়নি বিএনপি নেতাকর্মীদের। বুধবার খুব সকাল থেকেই চৌগাছা মেইন বাসষ্টান্ড, সরকারী কলেজ মোড় ও সলুয়া বাজারে পুলিশ যশোর অভিমুখে যাওয়া সব ধরনের যানবাহনে তল্লাসি করেন। এর আগে থেকেই যশোর অভিমুখে যাত্রীবাহি বাস বন্ধ করে দেন থানা পুলিশ। বাজারের মেইন বাসষ্টান্ডে মটর চালিত ভ্যানে একের অধিক লোক থাকলেই তাদেরকে পুলিশের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব হলে সামনে যেতে পেরেছে অন্যাথায় সেখান থেকেই পিছু হটতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। পুলিশি বাঁধায় যশোর যাওয়া বন্ধ এমন খবরে ফুঁসে উঠে বিএনপির হাজারও নেতাকর্মী। বেলা বাড়ার সাথে সাথে উপজেলা সদরে দলীয় নেতাকর্মীর ভিড় বাড়তে থাকে। ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বেলা ১১ টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের প্রথম শারীর নেতারা বক্তব্য রাখেন। দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে স্মরণকালের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি দলীয় কার্যালয় হতে শুরু হয়ে চৌগাছা সরকারী কলেজের সামনে হয়ে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। সাধারণ পথচারীরা পুলিশি এহেন কর্মকান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সভা সমাবেশ মিছিল মিটিং হচ্ছে গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার হরোন করা মানে গণতন্ত্রকে গলা টিপে মেরে ফেলা। সমাবেশ করতে দিবেনা ঠিক আছে, কিন্তু সড়কে যানচলাচল কেন বন্ধ করা হলো। আমরা সাধারণ মানুষ কেন এই কষ্ট ভোগ করবো?
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জহুরুল ইসলাম বলেন, সমাবেশ সফল করতে তৃণমূল পর্যন্ত আমরা প্রস্তুতি গ্রহন করি, কিন্তু পুলিশি বাঁধায় যেতে পারেনি। এটি সুষ্ঠু রাজনীতি হতে পারেনা। কর্মীরা ক্ষোভে কষ্টে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় থানা পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here