যশোর বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩.০৯ শতাংশ

0
286

মালিকুজ্জামান কাকা : মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট এসএসসি ও সমমান পরীার ফল প্রকাশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে, শিামন্ত্রী ডা. দিপু মনি ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। যশোর শিাবোর্ডে এ বছর এসএসসি পরীার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। বেলা ১২ টায় প্রেসকাব যশোরে এই ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন বোর্ডের পরীা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র। এ বারের পরীায় পাসের হার ৯৩.০৯ শতাংশ। তিন বিষয়ের পরীা এবং জেএসসির অন্যান্য বিষয়ের নম্বরের ওপর ভিত্তি করে ফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরীা নিয়ন্ত্রক। এবছর এসএসসি পরীায় যশোর বোর্ডে ৯৩ দশমিক ৯ শতাংশ শিার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬,৪৬১ জন। গতবার এই পাসের হার ছিলো ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১৩,৭৬৪ জন।। যশোর বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে। জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানে পরীার ফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সংবাদ সম্মেলনে ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরবেন শিামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। চলতি বছর যশোর বোর্ড থেকে এসএসসি পরীায় অংশ নিয়েছিলো এক লাখ ৮১,২৮২ জন শিার্থী।
এসএসসি পরীার ফল জানবেন যেভাবে ;
ইন্টারনেটে যঃঃঢ়://িি.িবফঁপধঃরড়হনড়ধৎফৎবংঁষঃং.মড়া.নফ ওয়েবসাইট ভিজিট করে ফলাফল জানা যাবে। এ ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল নাম্বার, পরীার (ঊীধসরহধঃরড়হ) নাম এবং বোর্ড সিলেক্ট (ঝবষবপঃ) করে সাবমিট বাটনে (ঝঁনসরঃ ইঁঃঃড়হ) কিক করে ফলাফল জানা যাবে। শিাবোর্ড থেকে দেয়া পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, এ বছর সর্বমোট ১৬,৪৬১ জন পরীার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১৪,২২৪, মানবিক বিভাগে ১,৩৬৯ ও বাণিজ্য বিভাগে ৮৬৮ জন রয়েছে। এবার ২৫৫ টি স্কুলে সকল বিভাগ থেকে কম-বেশি পাস করেছে। একজনও পাস করেনি এমন স্কুল একটিও নেই। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে কোনো পরীা অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২১ সালে মাত্র তিন বিষয়ে পরীা গ্রহণ করে শিা মন্ত্রণালয়। প্রতি বিষয়ে ৫০ নম্বরের পরীা হয়। বাকি বিষয়গুলো জেএসসির ওপর নির্ভর করে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ৫০ নম্বরের পরীার মূল্যায়ন করা হয়েছে একশ’ নম্বরের ওপর ভিত্তি করে। এ বছর জিপিএ ৪ থেকে ৫ পেয়েছে ৩৯,১০৯জন। জিপিএ ৩.৫ থেকে ৪ পেয়েছে ২৯,৫২৭ জন, জিপিএ ৩ থেকে ৩.৫ পেয়েছে ৩৪,৫৯৪ জন, জিপিএ ২ থেকে ৩ পেয়েছে ৪৪,০৭৯ জন এবং জিপিএ ১ থেকে ২ পেয়েছে ২,৬৬৯ জন। এবারের ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে সাতীরা জেলা। এই জেলায় পাসের হার ৯৪.৭৬। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা। খুলনার পাসের হার ৯৪.৪৯। তৃতীয় অবস্থানে আছে বাগেরহাট। এছাড়া, চতুর্থ যশোর, পঞ্চম চুয়াডাঙ্গা, ষষ্ঠ নড়াইল, সপ্তম কুষ্টিয়া, অষ্টম মেহেরপুর, নবম ঝিনাইদহ এবং দশম স্থানে রয়েছে মাগুরা। এ বছর পাসের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাসের হার বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে পরীা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, ইংরেজি, গণিত ও আইসিটিতে পরীার্থীরা ফেল করে বেশি। এবার এই তিনটি বিষয়ের কোনো পরীা হয়নি। এ কারণে পাসের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে পরীার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে এই ফলাফল তৈরি করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত টেলিটকের মাধ্যকে উত্তরপত্র পুনঃনিরীণের আবেদন করা যাবে। পরিসংখ্যান প্রকাশের সময় শিাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক কেএম রব্বানী, উপবিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) ফজলুর রহমান, প্রেসকাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও পরীা নিয়ন্ত্রকের পিএ নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here