যবিপ্রবি প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ রুটে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বাসে সন্ত্রাসী হামলা এবং শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মারধরের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে যবিপ্রবির প্রধান সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় পরিবারবর্গের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে যবিপ্রবির শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সমিতি একাত্মতা জানিয়ে অংশগ্রহণ করে। গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার দুলালমুন্দিয়া বাজার এলাকায় এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কালীগঞ্জের স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের আপন ভাতিজা স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান রিংকু ও তাঁর ক্যাডার হিসেবে পরিচিত লিটন জড়িত ছিল বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। এরমধ্যে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ওই দিনই লিটনকে আটক করেছিল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে হামলার অর্থ হলো রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতি। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। রাজনৈতিক পরিচয়ে পেশি শক্তির জোরে তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করতে চায়। অবিলম্বে যাঁরা দোষী তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। সড়কে বিশ^বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা যেন কেউ করতে সাহস না পায়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির প্রক্টর ড. হাসান মোহাম্মদ আল-ইমরান, যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আশরাফুজ্জামান জাহিদ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এ টি এম কামরুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক হেলালুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ রেজা, সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আব্দুর রশিদ, ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শী সেকশন অফিসার সাইফুর রহমান, কর্মচারী সমিতির সভাপতি শওকত ইসলাম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মো. বদিউজ্জামান বাদলসহ বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।।















