জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

0
306

স্টাফ রিপোর্টার ঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত করা পরীাগুলো নেওয়ার দাবিতে যশোরে মানববন্ধন ও প্রতীকী পরীা কর্মসূচি পালন করেছেন শিার্থীরা। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রেসকাব যশোর এর সামনের সড়কে এই কর্মসূচি পালন করেন দুই শতাধিক শিার্থী। যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূধন কলেজ, সিটি কলেজ, ডা আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যালসহ বিভিন্ন কলেজের শিার্থীরা এতে অংশ নেন। ঘণ্টাব্যাপী চলা কর্মসূচিতে শিার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরীা স্থগিতের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরীার ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেন জানান শিার্থীরা। মানববন্ধন শেষে শিার্থীরা বিােভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি প্রেসকাব থেকে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদণি করে শেষ হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, করোনার কারণে প্রায় দুই বছর ধরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীা বন্ধ থাকায় শিার্থীদের জীবন চরম সংকটে পড়তে যাচ্ছে। ২০২০ সালে যাদের প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ হওয়ার কথা ছিল, ২০২২ সালেও তা শেষ হয়নি। এতে করে পড়াশোনার সনদ গ্রহণের পর চাকরিতে প্রবেশের জন্য সময় কমে যাচ্ছে। শিার্থীদের স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পড়া শেষ হতে হতে বয়স ২৬ থেকে ২৭ হয়ে যাবে। অথচ চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক চাকরিতে প্রবেশের প্রস্তুতির জন্য এ সময় যথেষ্ট নয়। যেসব কারণে করোনা সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে সেগুলো বন্ধ না করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপ সব পরীা স্থগিত করেছে, যা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। অথচ এরই মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সশরীর পরীা নেওয়া অব্যাহত রেখেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পরীা স্থগিতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত সব পরীার সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানান তারা। মানববন্ধনে সরকারি মহিলা কলেজের শিার্থী সাদিয়া জাহান বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার পরীা নেওয়ার বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতা দিয়েছে। অথচ সরকার ঘোষণা দিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীা বন্ধ করেছে। এছাড়া দেশে বাণিজ্য মেলা বা এমন আরও অনেক বিষয়ে জনসমাগম হতে পারলে পরীা নেওয়ার েেত্র কেন এ বিধিনিষেধ? স্বাস্থ্যবিধি মেনে যদি সবকিছু চলতে পারে, তাহলে পরীা কেন চলতে পারে না?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here