নেংগুড়াহাট (যশোর)প্রতিনিধি :- পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মণিরামপুরের পারখাজুরা গ্রামের এক শিক্ষকের স্ত্রীকে শীলতাহানির অভিযোগের ঘটনায় দুই পক্ষের গোলযোগে উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে। আহতরা যশোর ও মণিরামপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
জানা যায়, পারখাজুরা গ্রামের শিক্ষক আব্দুল্যার স্ত্রী বুধবার সকাল ৯ টার দিকে বাড়ির পাশে তাদের পানের বরজে যেয়ে দেখতে পায় একই পাড়ার রহিম বিশ্বাসের ছেলে ইবাদুল ইসলাম ঘুরাঘুরি করছে। কাছে যেয়ে কথা বলা মাত্রই ইবাদুল তাকে ঝাপটে ধরে হেনাস্থা করে। শিক্ষকের স্ত্রীর আত্নচিৎকারে উভয় পরিবারের লোকজন ছুটে এসে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় মারামারির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে শিক্ষকের স্ত্রী ও তার ছেলে আবুল হাসানকে মণিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এবং ইবাদুলসহ তার দুই ভাই রিজাউল, সিরাজুলকে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হয় শিক্ষক আব্দুল্যার সাথে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পক্ষ ভেবে তারা আমার উপর শত্রুতা চালিয়ে আসছে। সামান্য বিষয় নিয়ে তারা আমাদের উপরে হামলা করে। বুধবার সকালে আমার স্ত্রী আমার পান বরজে যেতেই ওৎ পেতে থাকা ইবাদুল নামের ঐ যুবক আমার স্ত্রীকে ঝাপটে ধরে মাটিতে ফেলে দিয়ে নির্যাতন চালাই। যার প্রমান স্বরুপ দেখা গেছে স্ত্রী বাঁচার তাগিদে ইবাদুলকে কামড়িয়ে দিয়েছে। স্ত্রীর চিৎকারে আমিসহ আমার ছেলে ও পাশের লোকজন এসে স্ত্রীকে উদ্ধার করতে গেলে আমাদেরকে মারপিট করে ও পানের বরজ ভাংচুর করে।
কথা হয় ইবাদুলসহ তার দুই ভায়ের সাথে তারা জানাই, আমাদের ক্ষেত থেকে পান চুরির বিষয় জানতে গেলে তারা আমাদের উপর হামলা করে মারপিট করে তিন ভাইকে আহত করেছে। শীলতাহানির কোন ঘটনায় ঘটেনি। বরং তারা সবাই মিলে আমাদের মারপিট করেছে। পানের বরজ ভাংচুর করা হয়নি। গোলযোগের সময় বরজ ভেঙ্গে যেতে পারে।














