আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য কেশবপুরে ব্যবসায়ী দোকান ঘরের সামনে জোর পূর্বক পাঁকাঘর নির্মাণের অভিযোগ

0
290

আক্তার হোসেন স্টাফ রিপোর্টার: যশোরের কেশবপুর আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চুকনগর-শোরগাতিয়া সড়কের সন্যাসগাছা দলিত হাসপাতালের(প্রস্তাবিত) সামনে জোর পূর্বক ব্যবসায়ী দোকান ঘরের (পজিশন) নষ্ট করে আরো একটি ঘরনির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়াগেছে। ফলে ওই ব্যবসায়ীর সামনের পজিশন ঢাঁকা পড়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশষ্কা দেখা দিয়েছে। লুৎফর রহমান বাদী হয়ে কেশবপুর সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেছেন। যার নং দেঃ ৫৯১/২০২১। দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৩৯ ধারার এক রুলে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কাজ বন্ধের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন পরবর্তি শুনানির জন্য ৫/৫/২০২২ দিন ধার্য্য করেছেন।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার ১৪০ নং সন্যাসগাছা মৌজার খতিয়ান নং ৪৪৭, সাবেক দাগ ২৪৮৪, হালদাগ ৪৪৭৬ এর ১৬ শতাংশ জমির উপর আলাদা ভাবে টিনসেট এবং ছাদ বিশিস্ট ২টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। বাদীর ওই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সামনের পজিশনে খাঁস জমির উপর হঠাৎ করে গৌরিঘোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিবগং মিলে জোর পূর্বক পাঁকাঘর নির্মাণ করছেন। ফলে ওই ব্যবসায়ীর সামনের পজিশন ঢাঁকা পড়েছে। এ বিষয়ে বিবাদী গৌরিঘোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই খাস জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে ডিসিআর নিয়ে আমি প্রতিবছর নবায়ন করে যাচ্ছি। আজ সকালে জেলা পরিষদের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আমার জমি বুঝে দিয়ে ঘর নির্মাণ করতে বলেছেন। বাদী লুৎফর রহমান সদ্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় আমার বন্দোবস্তকৃত জমিসহ তাঁর মালিকানা সম্পত্তির উপরে পাঁকা ভবণ নির্মাণ করে ব্যবসা করেছে। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ লুৎফর রহমান সর্দার বলেন, যখন ওই খাস জায়গাটি বন্দোবস্ত দিয়েছিলাম তখন একটি কাঁচা-পাকা দোকান ছাড়া অন্য কোন দোকান ঘর ছিলো না। রাস্তার জমি খাস জমি হিসাবে কোন বন্দোবস্ত দেয়ার ইকতিয়ার জেলা পরিষদের আছে কি না .

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here