ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি :মণিরামপুর উপজেলায় এখনো বহু মানুষ টিকার প্রথম ডোজ গ্রহন করেনি। উপজেলার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ জন অধ্যুষিত জনগোষ্টীর চারভাগের এক ভাগ এখনো টিকা গ্রহন করেনি। তবে, আশার কথা হচ্ছে সরকারের নির্দেশমনা মোতাবেক মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এবং মাদ্রাসাসহ অন্যান্য শিার্থীদের প্রায় শতভাগ টিকা কার্যক্রমের আওতায় এসেছে।
টিকা নিয়ে নানা ধরনের কুসংস্কার এখনো গ্রামীণ মানুষের মধ্যে থেকে দূর হয়নি। ভয় ও টিকা নিলে জ্বরসহ নানা নেতিবাচক ধারনা বিরাজমান থাকায় গ্রামাঞ্চলের মানুষ টিকা গ্রহনের েেত্র অনিহা কাটেনি। অথচ এসব ভ্রান্ত ধারনা এখনো তাদের মাঝ থেকে দূর হয়নি।
টিকা গ্রহন করলে করোনা থেকে নিজেকে সুরা রাখা যাবে-এমন প্রচার-প্রচারনা গ্রামীন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে বলে অভিজ্ঞ মহলের দাবি।
উপজেলার ভাসমান ও শতভাগ গ্রামীণ জনগোষ্টীকে টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনতে স্থানীয় প্রশাসন জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৭ ইউনিয়নের সাধারন মানুষকে টিকার আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তন্ময় কুমার বিশ্বাস জানান, মাধ্যমিক শিা অফিসের দেওয়া তালিকা মোতাবেক ৩৭ হাজার ৬শ’ ৬৪ জন টিকার প্রথম ডোজ গ্রহন করেছে। উপজেলায় সর্বমোট ২ লাখ ৮৯ হাজার ২৭১ জন টিকার প্রথম ডোজ গ্রহন করেছে। ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪২০ জন টিকার ২য় ডোজ এবং ৪ হাজার ১৪৩ জন বুস্টার ডোজ গ্রহন করেছে।
এদিকে সোমবার মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে করোনা প্রতিরোধে করনীয় বিষয় নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র অধ্য কাজী মাহমুদুল হাসান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা তন্ময় কুমার বিশ্বাস, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, থানার ওসি নূর ই আলম সিদ্দিকী, উপজেলা মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার, মণিরামপুর প্রেসকাবের সভাপতি ফারুক আহাম্মেদ লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দীন, আব্দুল আলীম জিন্নাহ, এমএম ফারুক হুসাইন প্রমূখ। সভায় উপজেলার আমজনতাকে শতভাগ টিকার আওতায় আনতে গুরত্বারোপ করা হয়। এটি সফল করতে সভায় নানা ধরনের প্রস্তাব উঠে আসে। এগুলো কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদেরকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।















