চৌগাছায় ভেঙ্গে পড়েছে কপোতাক্ষ পারাপারে দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের বাশের সাঁকোটি  

0
714
Exif_JPEG_420
 রায়হান হোসেন,চৌগাছা পৌর প্রতিনিধিঃ যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা ও পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে কপোতাক্ষ নদ। দুই গ্রামের মানুষের নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা ছিলো একটি কাঠ ও বাশের তৈরি সাঁকো। সাঁকোটি ভেঙ্গে পড়ায় এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, দুই গ্রামের মানুষের যাতায়াতের জন্য এখানে খেঁয়া পারাপার হতো। নদ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় খেয়া পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। এমতাবস্থায় ১০/১৫ বছর পূর্বে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খেয়া পারাপারের স্থানে নির্মিত হয় বাশের সাঁকো। সাঁকোটি দেখভালের জন্য রাজ্জাক নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা সেখানে দিনরাত বসে থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত টাকা আদায় করতো।
২০১৯ সালে বিষয়টি চৌগাছা থানার তৎকালীনওসি রিফাত খান রাজিবের নজরে এলে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান ড. মোস্তানিছুর রহমানের সহযোগীতায় কাঠ আর বাশ দিয়ে মজবুত একটি সাঁকো নির্মাণ করেদেন। বন্ধ করা হয় সাঁকো পারাপারের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায়।
কিন্তু কয়েক বছরে কাঠ ও বাঁশের তৈরি সাঁকোটি আর মেরামত করা হয়নি। সম্প্রতি সাঁকোটির মাঝখান ভেঙ্গে পানিতে মিশে গেছে। এখন সাঁকোটির উপর দিয়ে শুধু মাত্র একটি বাশ ধরে ঝুকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে সাঁকোটি পুননির্মাণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

 স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মিলন বলেন, ওই স্থানে একটি পাকা সেতুর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছি আমরা।কয়েকজন যাত্রী জানান, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের বাইক রেখে পায়ে হেটে পার হতে হচ্ছে। অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে হলে ৬/৭ কিলোমিটার ঘুরতে হবে তাদের।
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান ড.মোস্তানিছুর রহমান বলেন, চৌগাছায় কপোতাক্ষ নদ খননের কাজ শুরু হয়েছে। এমনিতেই সাঁকোটি ভাঙ্গা পড়বে। তারপরে এলাকাবাসী সাঁকোটি পুননির্মাণের উদ্যোগ নিলে আমি সব ধরনের সহযোগিতা করব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here