মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : মানবসেবা তথা জনসেবায় উজ্বল প্রেসকাব যশোর। যখনি এই অঞ্চলের নানা শ্রেনী পেশার মানুষ কোন সমস্যায় পড়েছেন দ্বারস্থ হলেই প্রেসকাব যশোরের নেতৃবৃন্দ বা সদস্য এগিয়ে এসে তার সহযোগিতায় হাত প্রসার করে তার পাশে দাড়িয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর জমি সেবার স্মৃতি নিয়ে সমগ্র বাংলাদেশে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে প্রেসকাব যশোর ভবন। চারতলা ভবনটি বলিষ্ঠ এক সংবাদ প্রতিষ্ঠান হিসেবে দিব্যি মানব সেবকের ভূমিকায় কার্য্যকর উদাহরন। রয়েছে তার গর্বের অনেক ইতিহাস। মুজিব সড়কের গা ঘেষে যুগ যুগ ধরে দাড়িয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানটি তার কর্মী গুনে আজ মানবসেবায় অনন্য। এখানেই সে আর ১০টা প্রতিষ্ঠান থেকে একেবারেই ভিন্ন। সমস্যা বা বিপদ মানুষের কাছে এসে ভেড়ে সহজেই। এই সমস্যার পর যারাই প্রেসকাব নেতৃবৃন্দ বা সদস্যদের কারো কাছে দা¦ারস্থ হলেই মিলেছে তার সমাধান। অনেক সমস্যার সমাধান যদি নাও দেওয়া যায় তবু তার উদ্যেগ হয় এখানে। রাজনীতি, মানবিক কর্মসূচি, প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকান্ড, ব্যক্তি নন্দনীয় উদ্যোগ, রিক্সা-ভ্যান, ফুটপাত, জমি বাড়ির জবর দখল, জাল দলিল এমনি নানা কাজে প্রেসকাব যশোর ও তার সদস্যরা একে অপরের সাথে গভীর সমঝোতার সম্পর্কে জড়িয়ে। এই কাজটি আরো সহজ হয়েছে নির্বাচিত কার্য্যকরী পরিষদের আন্তরিকতায়। ব্যক্তিগুনে অনেকেরই ইর্ষার কারন প্রেসকাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন। যশোর জুড়ে আলোচনায় তার সহযোগিতা বা আন্তরিকতা। কোন রাজনীতির টিমে না থেকেও তিনি বার বার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আর জনসেবায়, জন সমস্যার সমাধানে ভূক্তভোগীর পাশে দাড়িয়েছেন নিজস্ব চারিত্রিক বলিষ্ঠতায়। পিছিয়ে নেই সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমানও। সমস্যায় জর্জরিত ভূক্তভোগীরা তার দ্বারস্থ হলেই পাশে থেকে সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন নিজস্ব সমস্যার কথা না ভেবেই। নিজের কাজ ফেলে রেখে তিনি ভূক্তভোগীর পাশে দাড়ানোর রেকর্ড গড়েছেন। ভোটের মাঠে, প্রার্থীর সমস্যা সমাধানে প্রেসকাব যশোর মানুষের মুক্তির এক দুয়ার যেন। একথা এতদ অঞ্চলের মানুষের। এটি কোন সংবাদ কর্মী বা পত্রিকার ভাষা নয়। এটি ভূক্তভোগীর আবেগের প্রানময় বক্তব্য।
সভাপতি সম্পাদক ছাড়াও প্রেসকাব যশোরের নির্বাতি সহ সভাপতি, যুগ্ম সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ বা অন্যরাও সমস্যাগ্রস্থ মানুষের সেবায় নি:সঙ্কোচ আন্তরিকতায় কাজ করছেন। প্রেসকাবের গর্ব তার সদস্যরা। সদস্যরা স্বাধীন বাংলাদেশ বিশ্বে আবির্ভূত হওয়ার পর থেকে প্রেসকাব যশোর সারা দেশে ব্যাপক গ্রহনযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান। আগে ছিল বৃহত্তর যশোরের সমস্যা সমাধানের সূতিকাগার। এখন যশোরবাসীর সর্বশেষ ভরসাস্থল। সরকারি অফিসে হয়রানি, রাজনৈতিক নাজেহাল, জমির জবর দখল থেকে পরিত্রাণ, আর্থিক বা মামলায় হয়রানি থেকে মুক্তির জন্য উদ্যোগ গ্রহনে এই সাংবাদিক ভবনটি নতুন এক মাইল ফলক। এত সাংগঠনিক দক্ষ প্রতিষ্ঠান সারা দেশে আছে সংখ্যায় স্বল্প। বিশেষ করে যখন প্রতি জেলা উপজেলায় একাধিক প্রেসকাব গড়ে উঠেছে সেই মুহুর্তেও যশোরে একটিই প্রেসকাব সকল সংবাদকর্মীর আঙিনা। শত অপচেষ্টা সর্ত্তেও তাকে ভাগ করা যায়নি। এটিও সদস্যদের একত্রিত থাকার আরেক উজ্বল দৃষ্টান্ত।
অনেক সমালোচক বলেন, সাংবাদিক হচ্ছে সাংঘাতিক। আবার তারাই বলেন, প্রেসকাব যশোর ব্যতিক্রম। ব্যতিক্রম সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন ও এস এম তৌহিদুর। ব্যতিক্রম এর সদস্যরা। এরা অর্থ পুজি করে ফায়দা লোটেনা। বিপদে পাশে দাড়িয়ে থেকে সমস্যার সমাধানের প্রচেষ্টায় হয় আন্তরিক। এ কারনে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে থেকেও আলাদা সময় করে সভাপতি সম্পাদক মানবিক কাজে ব্যস্ত থাকেন নিয়মিত। প্রেসকাবের সদস্যদের জন্যও তারা আলাদা আন্তরিকতায় সমস্যার সমাধান করেন বার বার। আর তাই সদস্যরা তাদের মাথায় তুলে রাখেন সমালোচনা এড়িয়ে। শুধু এরাই নয় রাজনৈতিক আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি, ওয়াকার্স পার্টির আঞ্চলিক নেতা-কর্মীর সমস্যায় প্রেসকাব যশোর সমাধানে এগিয়ে এসেছে অতীতে। বর্তমানেও তারা সেই মাঠে একই সহযোগিতার ভূমিকায় সতেজ সহযোগী। এমনকি শারিরীকভাবে পঙ্গু মেধাবী শিক্ষার্থী তামান্না’র জন্য প্রেসকাব যশোরের সংবাদকর্মীরা ছিল উদার মানবিক ও বন্ধু। আর তাই আজ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধান মন্ত্রীর ¯েœহে গন্য এক ছাত্রী সাধারন হয়েও ছাত্রপর্বে গৌরবী।















