পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসার অন্তরালে ভাড়াটিয়া দোকান ঘরের মালিক দাবী করে ঘর ছাড়তে অসম্মতি জানিয়ে আসছিল দীর্ঘ দিন।গোপনে জালিয়াতি কাগজ তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ভাড়াটিয়া। জানতে পেরে দোকান মালিক ভাড়াটিয়াকে দোকান ঘর ছাড়তে বাধ্য করে। ঘটনাটি উপজেলার কপিলমুনি বাজারে।
জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারে নাছিরপুর মৌজায় এস এ ২৯৫/৫ নং খতিয়ানের ৪৩২ দাগে দোকান শ্রেনীতে ০.০৩ একর জমি ১ আনা অংশে উত্তর সলুয়া গ্রামের আঃ জব্বার সরদারের স্ত্রী রোকেয়া খাতুন এর নামে রেকর্ড প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৮৫- ৮৬ সালে উক্ত সম্পত্তি সরকার বাহাদুরের অনুকুলে পেরিফেরী ভুক্ত হলে রেকর্ডীয় মালিক রোকেয়া খাতুন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সরকারের নিকট থেকে ডিসি আর গ্রহণ করে সন সন ইজারা প্রদান করিয়া বাংলা ১৪২৬ সাল পর্যন্ত ভোগ দখলে রয়েছেন। এদিকে তালা থানার গংগারাম পুর গ্রামের মৃত বসন্ত দেবনাথের পুত্র বিপ্রদাস দেবনাথ ব্যবসা করার জন্য ১৪২১ সালের ১ ফাল্গুন থেকে ১৪২৮ সালের ৩০মাঘ মাস পর্যন্ত লিখিত চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু পেরিফেরীভুক্ত জমি দেখে সুচতুর বিপ্রদাস নিজের নামে ডিসি আর নেওয়ার জন্য গোপনে সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে আবেদন করে। যা ভাড়াটিয়া হয়ে মালিক হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা ছাড়া কিছু না। এ ঘটনা জানতে পেরে দোকান ঘর মালিক তাকে দোকান ঘর ছাড়তে বলে। এদিকে স্থানীয় তফসিলদার ও বনিক সমিতির প্রতি বেদন ও পূর্ব রেকর্ডীয় মালিক পর্যালোচনায় বিপ্রদাশ এর আবেদন খারিজ করে পূর্ব ইজারা গ্রহিতা রোকেয়া খাতুনের নামে কর খাজনা গ্রহণ করে ইজারা প্রদান করে। তখন বিপ্রদাশ এডিসি রেভিনিউ খুলনায় আপিল করলে সেখানে তার আবেদন খারিজ করে দেয়। এত ঘটনার পর ও বিপ্রদাস দোকান ঘর অবৈধভাবে দখলে রাখার চেষ্টা করলে কপিলমুনি বনিক সমিতি, স্থানীয় প্রশাসন ও গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গের মধ্যস্থতায় তার মালামাল বের করে দোকানের মালিককে তার দোকান ঘর বুঝে দেন। অথচ একটি পক্ষ ঘোলা জলে মাছ স্বীকারের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তারা সত্য ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে যোগাযোগ মাধ্যমে বানায়াট তথ্য প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ওসি জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ঘটনা শুনেছি, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয় পক্ষকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেন, ঘটনা শুনেছি, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয় পক্ষকে কাগজ পত্র সহ ৬ মার্চ হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।














