পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছায় আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে লীজঘেরের বাঁধ কেটে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সীমানার মধ্যে তিন পক্ষ ৩টি ১৪৪ ধারার বিধান মতে মামলা করেছে। ঘটনাটি উপজেলার গদাইপুর ইউপির মঠবাটী মৌজায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে।
থানার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,মঠবাটী গ্রামের মোহাম্মদ আলী মোল্যার পু্ত্র আজু মোল্লা মঠবাটী মৌজায় নিজের খরিদা ও বিভিন্ন জমার মালিকদের নিকট থেকে হারীর বিনিময়ে ডীড গ্রহন পূর্বক ২৫/৩০ বিঘা জমিতে দীর্ঘদিন মৎস্য ও ধান্য চাষ করে আসছে। বর্তমান সেটেলমেন্ট জরিপে জমার মালিকদের জমির রেকর্ড ত্রুটি বিচ্যুতি দেখা দিলে হারীর টাকা নিয়ে জমির দু’/ তিন জন মালিক হারীর টাকা কম বেশি দাবী করলে ঘের মালিক বিপাকে পড়ে। যে কারণে ঘের মালিক আজু মোল্লা পাইকগাছা সহকারী সিনিয়র জজ আদালতে ইন্টারপ্লিডার বাবদ দেঃ ৮৬/২০২২ নং মামলা দায়ের করে হারীর টাকা আদালতে জমা দেয়। এদিকে রেকর্ড কম বেশি হওয়ায় জমির দ’/এক জন মালিক লীজ ঘেরের মধ্য থেকে জমি জবর দখল করার জন্য হুমকি দিলে জমির মালিক তকিয়া গ্রামের মোঃ আব্দুল হাকিম গাজীর স্ত্রী শাহানারা বেগম বাদী হয়ে পাইকগাছা নির্বাহী আদালতে ১৪৪ ধারার বিধান মতে এম আর ২৬/২২ নং মামলা দায়ের করেন।বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দখল ভিত্তিক স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। একই ভয়ে জমির মালিক জনৈক সাহাজ উদ্দীন সরদার লীজ ঘের মালিক আজু মোল্লার পক্ষে পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী আদালতে ১৪৪ ধারার বিধান মতে এম আর ২৮/২০২২ নং মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দখল ভিত্তিক স্থিতিবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন। মামলা দুটি বিজ্ঞ আদালত দখল ভিত্তিক স্থিতিবস্থা বজায় রাখা সহ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ওসি পাইকগাছা বরাবর হস্তান্তর করেন। এর পর ও অন্য জমির মালিক মারুফা বেগম তার জমিও জবর দখল করে নিতে পারে এ আশংকা প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারার বিধান মতে এম আর ১/২০২২ নং মামলা দায়ের করেন। আদালতে তিনটি ১৪৪ ধারার মামলা চলমান ও জজ আদালতে হারীর টাকা জমা দিয়ে ইন্টারপ্লিডার বাবদ দেঃ মামলা চলমান থাকাবস্থায় আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে গত৯ মার্চ গভীর রাতে আজু মোল্লার মৎস্য লীজ ঘের কেটে ক্ষতি সাধন করে। এ ঘটনায় জমির মালিক শাহানারা বেগম বাদী হয়ে মঠবাটী গ্রামের মৃত তারাই সরদারের পুত্র মোবারক সরদার, মৃত্যু সুলতান বিশ্বাস এর পুত্র রফি বিশ্বাস, মৃত্যু হাবিবুর বিশ্বাস এর পুত্র আক্তার,রফি বিশ্বাসের পুত্র মোস্তফা ও ছালাম, কাশেম গাজীর পুত্র সেলিম এবং মৃত্যু ছোরমান গাজীর পুত্র আবুল হোসেনদের নামে থানায় অভিযোগ করেছে। ওসি জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।














