কুষ্টিয়া  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর – কর্মকর্তাদের কোন কাজ নেই, মাসোহারা তুলতে ব্যাস্ত

0
529
নিজস্ব প্রতিবেদক কুষ্টিয়াঃ  গত দুই মাস কুষ্টিয়া  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কোন কাজ নেই। উপ পরিচালক হিসেবে কুষ্টিয়া অফিসে গত ২৩ জানুয়ারী  যোগদান করেন পারভীন আক্তার। এরপর তিনি একটি মোবাইল কোর্ট কিংবা অভিযানে যাননি। অফিসে বসে ২১ জন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও সিপাহী দিয়ে কুষ্টিয়ার অলিতে গলিতে চালিয়ে যাচ্ছেন মাসোহারা তোলার অভিযাান। কুষ্টিয়ার  দৌলতপুর সীমান্ত থেকে খোকসার বিলজানি পর্যন্ত তার অফিসের স্টাফ দিয়ে মাদক কারবারীদের কাছ থেকে  মাসোহারা উত্তোলন করছেন। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়া  বাউলদের দোলপূর্ণিমার সাধুসঙ্গ মঙ্গলবার। দোলপূর্নিমার কারণে গত ২ সপ্তাহ ধরে ছেউড়িযা  এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে। এদিকে উপ পরিচালক পারভীন আক্তার দুই জন ইন্সপেক্টর, ৩ জন সাব ইন্সপেক্টর, সহ অন্যাদের লাগিয়েছেন ছেউড়িয়ার মাঠ  থেকে মাদক বিক্রয়কারীদের কাছে টাকা উত্তোলনে। কুষ্টিয়ায় প্রায় ৪০ টি অবৈধ মাদক স্পট থেকে মাসিক চাঁদা তোলেন মাদকের কর্মকর্তা ও সিপাহীরা। পাশাপাশি লাইন্সেসিদের কাছ থেকে  মাসিক কুষ্টিয়া অফিসে মাসোহার ৯ লাখ টাকা। এই  মাসোহারা কারণে লাইসেন্সধারী মদ ব্যবসায়ীরা  লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে মুসলিম এবং মদ পানের  লাইসেন্স নেই এমন ব্যক্তিদের কাছে প্রকাশ্যে মদ বিক্রি  করছে। সোমবার এই বিষয় নিয়ে সাংবাদকর্মীরা  ডিডি’র মুখোমুখি হওয়ার পরে তিনি কুষ্টিয়ার  শীর্ষ মদ ব্যবসায়ী গৌতম কুমার চাকী ও তুহিন চাকীকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন  অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে স্পষ্ট হয়ে যাবে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডিডি পারভীন  আক্তারের প্রধান সিপাহশালা ইন্সপেক্টর বেলাল। তিনি তার অফিসারদের মাসিক কন্ট্রাক্ট দেয় টাকা আদায়ের। ডিডি পারভীন আক্তার যোগদানের পর থেকে তিনি নিজে কোন মোবাইল কোর্টে যাননি। অফিসের গাড়ীকে নিজস্ব পরিবহন হিসেবে ব্যবহার করে চলেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক পারভীন আক্তার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কোন কাজ না  থাকায় শহরের অলিতে গলিতে বেড়েছে মাদকের ব্যবহার। ছেউড়িয়া, বড় ষ্টেশন, কুঠিপাড়া, চৌড়হাস,  মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মাদক। ইয়াবা,ফেন্সিডিল.গাঁজা এবং বাংলা মদ কুষ্টিয়ায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। খোদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন কাযার্লয়ের গলিতে বিক্রি হয় ট্যাপেন্ডা টাবলেট। এব্যাপারে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক পারভীন আক্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, মাদকদের  বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি যোগদানের পরে কোন  মোবাইল কোর্টে কেন যাননি এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here