কালীগঞ্জের তেঁতুলিয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি

0
445

ইমন ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ঃ  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনরমেন্টল সায়েন্স ডিসিপ্লিন এর প্রভাষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকারের নামে প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামবাসীর আয়োজনে ১৪ মার্চ সোমবার সকাল দশটায় তেতুলিয়া বাজার রাস্তায় মিথ্যা হামলার প্রতিবাদে ঘণ্টাব্যাপী বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচিতে গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। বি,টি জি আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল এর সভাপতি ও প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসক বাবু তপন মন্ডল এর সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকারের পিতা যুগোল কৃষ্ণ স্বর্ণকার, মাতা নীলা রানী সরকার, তার বড় ভাই মধু স্বর্ণকার,মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিধান সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম, তেতুলিয়া ৮ নম্বর ওয়াড’ আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল আহসান বাবলু, তেতুলিয়া ইউপি সদস্য মোঃ আজিজুর রহমান, সমাজসেবক মুহাম্মদ আবদুল জব্বার গাজী, ডাক্তার শংকর সরকার এস এম সেলিম, প্রমুখ।মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার প্রভাষক ইনভারমেন্টাল সাইন্স ডিসিপ্লিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত দুটি সাজানো ও ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হয়েছে। যার মূল লক্ষ্য তাকে হয়রানি এবং সামাজিকভাবে মান সম্মান ক্ষুন্ন করা। বিটি জি আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার ৭জানুয়ারি ২০২২সাক্ষী বিপুল স্বর্ণকারের ভাড়া বাসা বাড়ি নং ৬১/৪ শ্মশান ঘাট রোড ছোট ভয়রা, থানা সোনাডাঙ্গা খুলনা তে গমন করে যৌতুক দাবি করেছে এবং নির্যাতনের কথা বলেছে, কিন্তু উক্ত তারিখে সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার খুলনাতে ছিলেন না, এমনকি তার স্ত্রী পূজা স্বর্ণকার ও তার পিতা মাতা খুলনায় ছিলেন না। সুতরাং বাদি ও আসামি উভয়পক্ষই যেহেতু খুলনাতে ছিলেন না তাহলে চার নম্বর সাক্ষীর ভাড়া বাসায় উপস্থিত হওয়ার এবং যৌতুক চাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা । প্রভাষক সাধন চন্দ্র কর্মকার তার স্ত্রী পূজা সম্পর্কে নিজের সংসারে ফিরিয়ে আনতে গত ৬ জানুয়ারি ২০২২ সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়িতে যায় ৭ জানুয়ারি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তার শ্বশুরবাড়ি স্থায়ী ঠিকানা তেতুলিয়া তবে গিয়েছিলেন। স্ত্রীও আর ফিরে আসেননি।।সেখানে যৌতুক চাওয়ার মত কোন ঘটনাই ঘটেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সাধন চন্দ্র সরকার এর বিরুদ্ধে দুটি মামলা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যার মূল লক্ষ্য থাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা। সত্যিকার অর্থে সাধন চন্দ্র সরকারের পরিবারের চেয়ে স্ত্রী পূজা স্বর্ণকারের পরিবার অত্যন্ত সচ্ছল এবং মেয়ের বাবা একজন সুদ ব্যবসায়ী, অন্যদিকে সাধন চন্দ্র অত্যন্ত মেধাবী বিনয়ী এবং অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। তার মেধার দ্বারা তিনি রাষ্ট্রপতি পদক এ ভূষিত হয়েছিলেন। এরপর তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হন। তার বিরুদ্ধে শশুর শাশুড়ি ও স্ত্রীর আনীত অভিযোগ যেহেতু মিথ্যা এবং বানোয়াট সে কারণে গ্রামবাসী সাধন চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি সহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here