মণিরামপুরে সোনার ফসলের খোঁজে সর্বশান্ত অর্ধশতাধিক কৃষক” বীজ বিক্রেতা জসিম উদ্দিন ধরাছোঁয়ার বাইরে”

0
424

ইলিয়াস হোসেন ভ্রামমান প্রতিনিধিঃ কৃষকের স্বপ্ন আকা সোনালী ফসলের মাঠে, ইচ্ছা গুলো বছর ঘুরে পূণ্য হবে আশায়,করবে চাষ ইরি ধান উঠবে ঘরে স্বপ্নের সোনালী ধান। অর্ধশতাধীক কৃষকের সেই স্বপ্ন আজ স্বপ্নই থেকে গেলো ফসলের মাঠে।
সম্প্রতি এমনটাই দেখা মেলে যশোর মণিরামপুর উপজেলার গোপাল পুর গ্রামের মাঠে। অর্ধশতাধিক কৃষকের স্বপ্নের এস এ লাইট ধান চাষের ক্ষেতে । ধান চাষীদের সাথে কথা বলতে তারা জানান প্রতি বছরের ন্যায় স্থানীয় গোপাল পুর বাজারের কীটনাশক ব্যাবসায়ী শহিদুল ইসলামের নিকট থেকে এস এ লাইট বীজ ধান সংগ্রহ করি বেশী ফলনের আশায়।কিন্ত বিধিবাম যখনি ধান রোপণ শেষে পরিচর্যার একপর্যায়ে ধানের শীষ বের হতে শুরু হয় তখনি বুঝতে পারি এটা এস এ লাইট ধান না এটা ২৮ সহ বিভিন্ন ধানের বীজ মিশানো বীজ ধান যার জন্য এই পরিনতি।কৃষকরা কীটনাশক ব্যাবসায়ী শহিদুল ইসলাম কে দোষারোপ করলেও শহিদুল ইসলাম বীজ ধান সংগ্রহ করেন ড্রীমল্যান্ড এগ্রো কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি কেশবপুর উপজেলার গড়ভাঙ্গা গ্রামের জসিম উদ্দিনের থেকে।জসিম উদ্দীন দীর্ঘ দিন থেকে কিটনাশক সহ বিভিন্ন ধানের বীজ বিক্রয়ের সুবাদে শহিদুল ইসলাম সহ আরো অনেক ব্যাবসায়ী এস এ লাইট ধান ক্রয় করে। আজ বিপদের সম্মূখীন এমনকি নিজ কীটনাশকের দোকান খুলতে পারছেন না কৃষকের চাপের মূখে।অন্য দিকে প্রতারক জসিম উদ্দিনের সাথে ব্যাবসায়ীরা যোগাযোগ করলেও বিভিন্ন তালবাহানা করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে চলেছে।জসিম উদ্দীন সামান্য একটা কীটনাশক কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হয়ে আলিশান বাড়ি গাড়ীর মালিক হয়েছে কি করে মন্তব্য করেন ব্যাবসায়ীরা। স্থানীয় ভুক্তভোগী বীজ ব্যাবসায়ীরা অভিযোগ তুলেছেন জসিম উদ্দিন নিশ্চয়ই প্রতারনা মূলক ব্যাবসা করে আজ আলিশান বাড়ি গাড়ীর মালিক বনে গেছেন।এছাড়াও জসিম উদ্দিনের নিজ এলাকায় নাম না প্রকাশে অনেকে বলেন সামান্য কিটনাশক কোম্পানির একজন বিক্রয় প্রতিনিধি হঠাৎ করে গাড়ী বাড়ীর মালিক বনে গেলেন কি ভাবে তাদের বোধগম্য নাই এ নিয়ে চলছে এলাকায়ও সমালোচনা।
এবিষয়ে বীজ বিক্রেতা জসিম উদ্দিনের নিকট মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে ফোন দিয়ে নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
গোপালপুর ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা হিরামনের নিকট কথা বলে জানা যায়, তিনি কৃষকের স্বপ্নের এসএ লাইট ধান দেখতে গিয়ে এসএলাইট ধানের সাথে মিশ্র ধান দেখে তিনিও হতাশা প্রকাশ করেন।এবং তিনি আরাও জানান বন্যা কবলিত এলাকায় দীর্ঘ দিন পর এবারে এই মাঠে ধান চাষের উপযোগী হলেও মিশ্র বীজ ধান ক্রয়ের জন্য অর্ধশতাধিক কৃষক ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতে বসেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here