আগামী বছর ৫শ বিঘা জমিতে আখ চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় শার্শায় দিন দিন বাড়ছে আখ চাষ

0
276

জসিম উদ্দিন, শার্শা :বেনাপোল সীমান্তের পুটখালীতে ব্যাপক ভাবে আখ চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। অল্প খরচে ভালো মুনাফা হওয়ায় প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে আখচাষ। আগামীতে উৎপাদন আরো বাড়াতে চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করছেন বলে জানান উপজেলা কৃষি বিভাগ।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলার বেনাপোলে আখ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারমূল্য ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে এখানকার চাষীদের মুখে। অল্প পুঁজিতে অধিক লাভ হওয়ায় উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নে আখের আবাদ দিন দিন বাড়ছে। গত বছর পুটখালী ইউনিয়নে ১শ বিঘা জমিতে আখের আবাদ হলেও চলতি বছরে এ চাষ ১শ বিঘা ছাড়িয়েছে বলে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়। এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি আখ চাষের অনুকুলে হওয়ায় অনেক কৃষকই এখন আখ চাষে ঝুঁকছেন, দেখছেন লাভের মুখ। উৎপাদিত আখের গুণগত মান ভাল হওয়ায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে আখের পাইকাররা আসেন এখানকার আখ ক্রয় করতে।
এখানকার কৃষকরা জানান,আখ চাষ মূলত ভাদ্র মাস থেকে শুরু হয়। কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে বছর শেষে তা বিক্রি বিক্রি হয় প্রায় ডাবল দামে। আখের বাজার দর ও সম্ভাবনাকে বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিস্টিউটের গবেষণার নতুন জাত ঈশ্বরদী-৪১ ও ৪২ জাতের আখে ফলন ও দাম উভয়ই লাভ হওয়ায় এ জাতের আখ চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিঘা প্রতি আখ চাষে লক্ষাধিক টাকা কৃষকরা লাভ পাই বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। আগামীতে এই চাষ আরো বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান শার্শা উপজেলা কৃষি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা প্রতাপ মন্ডল।
তিনি বলেন,শুধু বেনাপোল সীমান্তের পুটখালী ইউনিয়ন নয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আখের চাষ করেন এখানকার কৃষকরা। গত বছর উপজেলায় ৩শ ১৫ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছিল যা চলতি বছরে বেড়ে ৩শ ৩০ হেক্টর হয়েছে। আগামী বছর ৫শ বিঘা জমিতে আখ চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here