“প্রেস বিজ্ঞপ্তি” : মুসলিম এইড ইউকে যাকাত ফান্ডে পরিচালিত“ ইনকুসিভ লাভলীহুড প্রোগ্রাম“ এর আওতায় ২মাস ব্যাপী ফ্রি প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারী গ্রাজুয়েটদের মধ্যে ল্যাপটপ ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ দাশ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ল্যাপটপ ও সনদপত্র বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রতিবন্ধি বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিণ ও রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক । অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক রেল গেট শাখার ম্যানেজার মনিরুজ্জামান ও শেখ হাসিনা টেকনোলজি পার্কের ইনভেস্টর হাসনাত ইন্টারন্যাশনালের প্রোপাইটর এএইচএম আরিফুল হাসনাত । মুসলিম এইড পলিটেকনিক কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজমুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এ্যাডমিশন এন্ড জব প্লেসমেন্ট অফিসার নূর ইসলাম, এ্যাডমিন অফিসার এয়াহিয়া মোহাম্মদ খালেদ, প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান, প্রকৌশলী আসিফ উল্লাহ চৌধুরী ও প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আসাদসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী ও প্রশিক্ষানার্থী ছাত্র ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, প্রশিক্ষণের মুল লক্ষ্য হচ্ছে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং সে অনুযায়ী তা কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করা। প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে শুধুমাত্র সার্টিপিকেট নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। প্রত্যেক প্রশিক্ষনার্থীকে যোগ্যতানুযায়ী কাজ করতে হবে। তাহলেই কেবল মাত্র প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশকে ও সর্বপরি নিজেকে অর্থনৈতিক ভাবে সফলতার দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ এখনো অদক্ষ। তাদের অনেকেরই উচচ শিক্ষার সার্টিফিকেট আছে। কিন্তু কোন কাজের বিষয়ে তাদের কোন দক্ষতা বা প্রশিক্ষণ নেই। ফলে তাদের শিক্ষা কোন কাজে লাগছে না। দেশে দিন দিন একারনে বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ’৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত বিশে^র কাতারে দাঁড় করাতে হলে এই বেকার জনগোষ্টিকে প্রশিক্ষনরে মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। এই জন্য ট্রেড ভিত্তিক প্রশিক্ষনের কোন বিকল্প নেই। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ বিশেষ অতিথিবৃন্দ গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত প্রথম ব্যাচের ৩০ জন প্রশিক্ষানার্থীর মধ্যে ল্যাপটপ ও সনদপত্র বিতরণ করেন।















