বিল্লাল হুসাইন : যশোরের শার্শায় বিবাহ রেজিস্টার (কাজির) বিরুদ্ধে বিয়ের কাবিন নামা জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে। কাবিন নামা রেজিস্টারে বিবাহের সময় দেন মোহরের টাকা ১লক্ষ ১টাকার স্থলে কেটে ১০লক্ষ ১টাকা লেখার অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে। এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ ও দিয়েছে ভুক্তভুগী সজিব আল রানা। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,গত ০৫-০৯-২০২১ তারিখে ঝিকরগাছা উপজেলার সাগরপুর গ্রামের মঞ্জুরুল আহসান এর ছেলে সজিব আল রানা’র সাথে শার্শা উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের নজরুল ইসলাম (কাজি) র মেয়ে ফারহানা আক্তার মৌমি’র সাথে ইসলামী শরীআহ্ মোতাবেক পারিবারিক ভাবে ১লক্ষ ১টা দেনমোহরে বিবাহ সম্পন্ন হয়। তাদের সংসার সুখেই চলছিল। হঠাৎ মোনো মালিন্য হলে এর মধ্যে সজিব আল রানা তার শ্বশুর নজরুল ইসলামের নিকট বিবাহের কাবিন নামার কাগজ চায়তে থাকে। কিন্তু দিতে না দিতে তালবাহানা শুরু করে। এক পর্যায়ে সজিব আল রানা ২১ সেপ্টেম্বর শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষটি তদন্তের জন্য উপজেলা মহিলা বিষায়ক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
২২ সেপ্টেম্বর মুল রেজিস্ট্রার সহ কাজি হাজির হলে সেখানে উপস্থিত সকলের সম্মুখে প্রমাণিত হয় রেজিষ্টারে ১ লক্ষ ১ টাকা এরস্থলে সু-চতুর, ধুরন্দবাজ নজরুল ইসলাম (কাজি) ঘষামাজা করে ১০ লক্ষ এক টাকা লেখা প্রমাণিত হয়েছে। এবং নজরুল ইসলাম কাবিন নামা নিয়ে বিভিন্ন তাল বাহনা করা ও তার জালিয়াতি প্রমানিত হয়।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র পাল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার দপ্তরে এ ধরনের একটি অভিযোগ এসেছে আমি বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছি। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (শার্শা)র নিকট জানতে চাইলে বলেন, অনেকের সামনে কাবিন নামার রেজিষ্ট্রি বই হাজির করলে দেখা যায় যে ঘসা মাজা ও কাটাকাটি আছে। এ বিষয়ে আর ও যাচাই বাচাই করে ইউ এন ও মহাদয় ব্যবস্থা নিবেন। অভিযোগের সত্যতা যাচায়ের জন্য মেয়ের এক নাম্বার স্বাক্ষীর (কাজীর আপন ভাতিজা) র নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কিছুই জানিনা,আমি শুনেছিলাম কাবিন এক লক্ষ এক টাকা,আর আমার স্বাক্ষর ও জালিয়াতি করেছে, আমি স্বাক্ষর করি নাই। জানতে চাইলে ছেলের স্বাক্ষিদ্বয় বলেন, আমরা এক লক্ষ টাকার কাবিনে স্বাক্ষর করেছি সেটা ঘসামাজা করে দশলক্ষ করা হয়েছে। ছেলের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমার বিবাহের ভিডিও আছে সেখানে স্পষ্ট দেখা ও শোনা যাচ্ছে যে কাবিন কত ছিল ভিডিওটি দেখলে বলা লাগবে না যে কাবিন কত ছিল? তারা আমার নামে দশ লক্ষ টাকার কাবিন ও যৌতুকের মিথ্যা হয়রানি মুলক মামলা ও দিয়েছে। এই কাজী একজন প্রতারক,জালিয়াতি বাজ আমি উপর মহলের নিকট দাবি জানাই যে এই ভন্ড,প্রতারক,জালিয়াতি বাজ, বাল্য বিবাহ দেওয়ার ওস্তাদ এই কাজি।তার বিবাহের রেজিষ্টার না রাখার জোর দাবি যানাচ্ছি।
কাজীর আপন বোন ও ভাইয়ের স্ত্রী সাংবাদিককে বলেন, কাবিন এক লক্ষ টাকা ছিল আমার ভাই একজন চিটার সে জালিয়াতি করে দশ লক্ষ বানিয়েছে, সে একজন প্রতারক ও জালিয়াতি বাজ। শুধু তাই না সে শতশত বাল্য বিয়ে দেয়,আমরা নিষেধ করলেও শোনেনা। অনেক বেশী লোভী বেশী টাকার বিনিময়ে সে এই সমস্ত এহেন গহীন কাজ করে থাকে। কাজির নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন কাবিন নামা কাটাকাটি করিনি।















